1 Answers

দৃশ্যকল্প (ii) যেন 'রানার' কবিতার মূল ভাবনারই প্রতিফলন- মন্তব্যটি যথার্থ।

যাদের ঘামে ও শ্রমে সমাজ-সংসারের চাকা নিত্য সচল থাকে তাদের কেথা কেউ বলে না, কেউ তাদের সুযোগ-সুবিধার কথা ভাবে না। এটা শুধু সত্য নয়, নির্মম সত্য।

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প (ii) এর কবিতাংশে কবি শ্রমজীবী মানুষের কথা বলেছেন। এখানে কবি কারখানার চিমনির মুখে সাইরেন-শঙ্খের আওয়াজ এবং হাতুড়ি-কান্তের শব্দ শোনার কথা বলেছেন। অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষের নিরলস শ্রমের ইতিবৃত্ত কেউ দেখে না। কাজ করতে করতে হয়তো কেউ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, যদিও জীবনকেই তারা ভালোবাসতে চায়। এই বিষয়টি 'রানার' কবিতায় প্রতিফলিত বিষয়টিকে নির্দেশ করে। রানার সবার কাছে নতুন খবর পৌছে দিলেও তার খবর কেউ নেয় না। সে তার শ্রমেরও উপযুক্ত মূল ও মর্যাদা পায় না। রাত হোক, দুর্গম পথ হোক, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া হোক- নিরন্তর তাদের কাজ করতে হয়। ঘরে স্ত্রী দুঃখ, বেদনা, অভিমান, অনুরাগ নিয়ে একা বিনিদ্র রাত জাগে। রানারদের দুঃখের চিঠি কেউ কোনোদিন পড়ে না। তারা অবহেলিতই থেকে যায়।

উদ্দীপক (ii) ও আলোচ্য কবিতা উভয় জায়গায় শ্রমজীবী মানুষের কথা প্রকাশ পেয়েছে। যারা তিল তিল করে নিজেদের শ্রমে ও ঘামে আমাদের সুন্দর জীবনকে আরও সুন্দর করে। অথচ তারা অবহেলিত ও নিগৃহীত হয়। উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতার কবি উভয়েই তাদের অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। তাই বলা যায় মন্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions