1 Answers

উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার দুঃখ-দুর্দশার দিকটি ফুটে উঠেছে। 

আমাদের সমাজে নারীরা অতি দুঃখ-দুর্দশার মধ্য দিয়ে সংসারকর্ম পরিচালনা করে। সংসারের দুঃখ-দারিদ্র্য তাদের নিত্যসঙ্গী। তবুও তারা স্বামী-সন্তান নিয়ে দিনের পর দিন সংসারধর্ম পালন করে।

'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের হরিহর-সর্বজয়ার সংসারে দারিদ্র্য নিত্যসঙ্গী। হরিহর অন্নদা রায়ের বাড়িতে গোমস্তার কাজ করে মাসে যে আট টাকা পায় তা দিয়ে সংসার ঠিকমতো চলে না। তাই সর্বজয়াকে সেজ ঠাকুন, রাধা বোষ্টমের বউদের কাছ থেকে ধার করে সংসার চালাতে হয়। ধার-দেনা শোধ করতে না পারলে কটু কথাও শুনতে হয়। সর্বজয়ার এই দুঃখ-দুর্দশা উদ্দীপকেও দৃশ্যমান। ফুলবানু হাঁসের ডিম বেচে ছেলের চিকিৎসা করায়। বর্তমানে তার সে রকম সামর্থ্যও নেই। প্রতিবেশীর কাছে ধার নেওয়া হয়ে গেছে তাই তাদের কাছেও হাত পাততে পারে না। এদিকে তার ছেলেটার ভীষণ জ্বর। উদ্দীপকে এক দরিদ্র অসহায় মায়ের যে দুঃখ-দুর্দশা প্রকাশ পেয়েছে তা 'আম- আঁটির ভেঁপু' গল্পেও প্রকাশ পায়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার দুঃখ-দুর্দশার দিকটি ফুটে উঠেছে।

6 views

Related Questions