1 Answers

উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের দরিদ্র মানুষের জীবনযাপনের দিকটি ফুটে উঠেছে। 

মানুষের জীবন সুখ-দুঃখের চারণক্ষেত্র। মানুষ সেসব মেনে নিয়েই জীবনযাপন করে। নানা পেশা অবলম্বন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় জাত-ধর্ম, সামাজিক নানা রীতিনীতি, সংস্কার, কুসংস্কার। তারপরও প্রকৃতিসংলগ্ন মানুষের জীবনসংগ্রাম থেমে থাকে না।

উদ্দীপকে সামাজিক জীবনে পরস্পর নির্ভরশীল একদল মানুষের জীবনসংগ্রামের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে গ্রামীণ জীবনে নানা পেশাজীবী মানুষের কর্মপ্রচেষ্টা এবং তাদের স্ত্রীদের সংসার জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনার চেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই পরিশ্রমী মানুষদের শরীর আর মনোবল ছাড়া কিছু নেই। তারা কেউ বর্গাচাষি, কেউ ভাড়া নায়ের মাঝি, কেউ কামলা। কোনোরকমে তাদের জীবন চলে। উদ্দীপকের এসব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের হরিহরের পেশা ও জীবনযাপন সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ হরিহরও রায়বাড়িতে মাসিক আট টাকা বেতনে গোমস্তার কাজ করে। সেটিও এক ধরনের কামলা খাটা। সেই আয় দিয়ে হরিহরের জীবন সুখে কাটে না। ছেলে-মেয়েকে নতুন জামা-কাপড়, ভালো খাবার দিতে পারে না। সংসার চলে অতি কষ্টে।

5 views

Related Questions