1 Answers

"অধ্যাপক ড. রশিদ হারুন-এর পদক্ষেপ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র চাওয়াকেই তুলে ধরেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

পল্লিসাহিত্য বাংলা সাহিত্যের প্রাণস্বরূপ। নানা কারণে পল্লিসাহিত্য আজ বিলুপ্তির পথে। আমাদের উন্নত সমাজভাবনা ও সাহিত্যের ব্যাপকতার জন্য পল্লিসাহিত্য একান্ত জরুরি।

উদ্দীপকের ড. রশিদ হারুন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক। তিনি নাট্যরূপ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন লোককবির পালাগান ও কাহিনি সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন। পরে তিনি এগুলোর নাট্যরূপ দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের দ্বারা অভিনয় করান। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধেও লেখক বলেছেন, বিভিন্ন রূপকথা, পল্লিগাথা, ছড়া প্রভৃতি দেশের আলো-বাতাসের মতো সবার সাধারণ সম্পত্তি। এজন্য সবারই উচিত এগুলো সংরক্ষণ করা। এগুলো সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের জন্য তিনি সবাইকে সচেতন করতে চেয়েছন এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়োজন অনুভব করেছেন।

উদ্দীপকের অধ্যাপক ড. রশিদ হারুন লোকগাথা, কাহিনি, পালাগান সংগ্রহ করে সেগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছেন। নাট্যরূপ দিয়ে সেগুলোকে সময়োপযোগী করেছেন। আলোচ্য প্রবন্ধেও লেখক বাংলার লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণ ও প্রসারের জন্য পল্লিসাহিত্যের বিচিত্র সম্পদ আহরণের কথা বলেছেন। এসব বিচারে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions