1 Answers
উদ্দীপকের জমিদারের স্বভাব-বৈশিষ্ট্য 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের জমিদারের গোমস্তা অধর রায়ের অমানবিকতার দিকটির সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
জাত-ধর্মের পার্থক্যের কারণে মানুষে-মানুষে বৈষম্য দেখা যায়। মানুষের সঙ্গে মানুষের স্বাভাবিক আচরণেও পার্থক্য লক্ষ করা যায়। আত্মস্বার্থের কারণে অনেকেই নিম্নশ্রেণির ও নিচু জাতের মানুষের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করে, যা উন্নত সমাজ গঠনের অন্তরায়।
উদ্দীপকে একজন জমিদারের মানবিকতা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে নানা সদগুণের জন্য খুড়োকে নবাবগঞ্জে জমিদার যথেষ্ট সাহায্য- সহযোগিতা করতেন। তিনি ভালো আচরণ করতেন বলে খুড়োও তার কাছে যেতেন। 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের জমিদারের গোমস্তা অধর রায় ছিলেন অত্যন্ত অমানবিক। তিনি কাঙালীকে মাকে পোড়ানোর কাঠের জন্য নগদ পাঁচ টাকা নিয়ে আসতে বলেছেন। অভাগীর বাড়িতে লাগানো বেলগাছটি কাটতে গেলে রসিক দুলেকে তিনি তার লোক দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করেছেন। কাঙালী তার বারান্দায় যেখানে দাঁড়িয়েছিল সেখানে গোবরজল ছড়িয়ে দিতে বলেছেন। অধর রায়ের এসব আচরণ উদ্দীপকের জমিদারের আচরণের সম্পূর্ণ বিপরীত।