1 Answers

উদ্দীপকে 'সুভা' গল্পের সুভার কলকাতা যাওয়ার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 

মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে চেনা-জানা পরিবেশ ছেড়ে অচেনা স্থানের দিকে পা বাড়ায়। যাওয়ার সময় চিরচেনা পরিবেশ-পরিজনের জন্য বেদনাহত হয়। ব্যক্তি সেই বেদনা মুখে প্রকাশ না করলেও অনুভূতিশীল মানুষ তা সহজেই অনুধাবন করতে পারে। 

উদ্দীপকে তিন্নি সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ভেজা চোখে ছোট ভাই তপুকে আদর করতে যায়, তপু তিন্নির সেই অনুভূতি বুঝতে পারে না। সে গাড়ি ঠেলে দিতে দিতে আনন্দ অনুভব করে। তারপর গাড়ি যখন অপুর হাতছাড়া হয়ে যায়, তখন সে বুঝতে পারে যে তা এখন আর খেলা নয়, বিদায়। এই বিষয়টি 'সুভা' গল্পের বাবা বাণীকণ্ঠের সঙ্গে সুভার কলকাতা যাত্রার দিকটি সম্পর্কিত। সুভাও কলকাতায় যাওয়ার আগে প্রতাপের কাছে তার মনোবেদনা প্রকাশ করতে চায় চোখের করুণ চাহনি দিয়ে। কিন্তু প্রতাপ তার অর্থ বুঝতে পারে না। এরপর সে তার বাল্য-সখীদের কাছ থেকে বিদায় নেয়। গাভী দুটির গলা ধরে আদর করে। সুভা কথা বলতে পারে না, চোখের জলে তাদেরকে ছেড়ে যাওয়ার বেদনা বোঝায়। উদ্দীপকের তপু যেমন তার তিন্নি আপুর বিদায় বুঝতে পারে না তেমনই এরাও সুভার বিদায় বুঝতে পারে না।

5 views

Related Questions