1 Answers

জনাব হালিম ইসলামের পঞ্চম রুকন হজ পালন করেন। কারণ হজ চন্দ্র বৎসরের শেষ মাস জিলহজে পালন করতে হয়। এসময় ইহরামের সাদা পোশাক পরতে হয়, আরাফার ময়দানে একত্রিত হতে হয় এবং সবাই 'লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' ধ্বনি দিতে দিতে পৃথিবীর প্রথম ঘর বায়তুল্লাহ বা কাবা শরিফে তাওয়াফ করতে হয়। উদ্দীপকে হালিম সাহেবের পালনকৃত ইবাদতে যেসব বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে তা হজের পালনীয় কাজগুলোকে নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, হালিম সাহেব হজ ইবাদতটি পালন করেছেন। শর্ত সাপেক্ষে মুমিনের জন্য হজ করা জীবনে একবার ফরজ।

আল্লাহ বলেন, “মানুষের মধ্যে যার আল্লাহর ঘর পর্যন্ত পৌছার সামর্থ্য আছে, তার ওপর আল্লাহর উদ্দেশ্যে ওই ঘরের হজ করা অবশ্য কর্তব্য।” (সূরা আলে-ইমরান: ৯৭) অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা বলেন, “এবং মানুষের নিকট হজের ঘোষণা করে দাও, তারা তোমার নিকট আসবে পদব্রজে ও সর্বপ্রকার ক্ষীণকায় উটের পিঠে চড়ে। তারা আসবে দূর-দূরান্তের পথ অতিক্রম করে।” (সূরা আল-হাজ্জ : ২৭) অন্যত্র তিনি এরশাদ করেন, “একমাত্র আল্লাহর জন্য হজ ও উমরাহ পরিপূর্ণভাবে আঞ্জাম দাও।” (সূরা আল-বাকারা: ১৯৬) রাসুল (স.) বলেছেন, "যার ওপর হজ ফরজ হয়েছে অথচ সে যদি হজ না করে, তবে আমি বলতে পারি না সে ইসলামের আদর্শের ওপর মৃত্যুবরণ করল কিনা।” (বুখারি) মহানবি (স.) আরও বলেন, "আল্লাহ যাকে হজ পালনের সামর্থ্য দিয়েছেন, যদি সে হজ না করে ওই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে তাহলে সে দোযখের যন্ত্রণাদায়ক আগুনে পতিত হবে।”

সুতরাং বলা যায়, জনাব হালিম ইসলামের পঞ্চম রুকন বা স্তম্ভ হজ - ইবাদতটি পালন করেছেন।

4 views

Related Questions