1 Answers
শফিক এমন একটি ইবাদত পালন করেন যে সম্পর্কে মহানবি (স.) বলেন, এ ইবাদতটি ইমান ও কুফরের মাঝে পার্থক্যকারী। এ ইবাদতটি একাকী আদায় করার চেয়ে জামাতের সাথে আদায় করলে সাতাশ গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। শফিকের এ ইবাদতটি হলো সালাত। কারণ সালাতের ব্যাপারেই রাসুল (স.) উক্ত দুটি বাণী প্রদান করেছেন। তিনি বলেছেন, মুমিন ও কাফিরের মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত ত্যাগ করা। (ইবর্নে মাজাহ) তিনি আরও বলেছেন, জামাতে সালাত আদায় করলে একাকী আদায় করার চাইতে সাতাশ গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। (বুখারি ও মুসলিম)
ইসলাম ধর্ম পাঁচটি মূলভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। সালাত তন্মধ্যে দ্বিতীয়।
মহানবি (স.) বলেছেন,-الصَّلُوةُ عِبَادُ الدِّين
অর্থ- “নামায ইসলাম ধর্মের মূলভিত্তি।” কুফর ও ইমানের মধ্যে সালাত পার্থক্য সৃষ্টি করে।
মহানবি (স.) বলেছেন,- الْفَرْقُ بَيْنَ الْعَبْدِ وَبَيْنَ الْكَفْرِ تَرْكُ الصَّلوةِ
অর্থ- “মুমিন ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত পরিত্যাগ করা।” সালাত আদায়ের সময় বান্দা তার উন্নত শির অবনত করে মহান আল্লাহর উদ্দেশে। ফলে তার প্রতি দাসত্ব ও আনুগত্যের পরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শিত হয়। রাসুল (স.) বলেছেন,
الصَّلَاةُ مِفْتَاحُ الْجَنَّةِ
অর্থ- “নামায বেহেস্তের চাবি।" সালাত মানুষকে পাপ-পঙ্কিলতা থেকে বাঁচিয়ে রাখে।
আল্লাহ বলেন - الصَّلوةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ
অর্থ- “নিশ্চয় সালাত মানুষকে অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।" (সূরা আল-আনকাবুত : ৪৫) বান্দা নিয়মিতভাবে নামায আদায় করলে আল্লাহ তার গুনাহ ক্ষমা করে দেন। এসম্পর্কে মহানবি (স.) বলেছেন, "এক নামায থেকে অন্য নামায পর্যন্ত যত গুনাহ হয় তা ক্ষমা হয়ে যায়।" রাসুল (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাযথভাবে আদায় করবে এ বিশ্বাসে যে, এটা আল্লাহরই নির্দেশ, তাঁর জন্য বেহেস্ত, ওয়াজিব ও দোযখ হারাম হয়ে যাবে।