1 Answers

শফিক মিথ্যা কথা বলে। মিথ্যা নিফাকের পর্যায়ে পড়ে। শফিকের এ ত্রুটি থেকে মুক্ত হওয়া দরকার। শফিক যেভাবে এ ত্রুটি থেকে মুক্ত হতে পারে তা নিচে আলোচনা করা হলো-

১. তাকওয়া থেকে উৎসারিত গুণাবলির অন্যতম হচ্ছে সত্যবাদিতা। একজন মুত্তাকীর মধ্যে যেসব গুণের সমাবেশ ঘটে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান গুণ হলো সত্যবাদিতা। বাস্তব ও প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করাকে সত্যবাদিতা বলে। আর যে ব্যক্তি সত্য বলে তাকে সাদিক বা সত্যবাদী বলে। আর প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ বা প্রমাণ করাকে মিথ্যা বলে। শফিক সর্বদা সত্য কথা বলার মাধ্যমে তার এ ত্রুটি থেকে সে মুক্ত হতে পারে। 

২. ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় কারও সাথে কোনো অঙ্গীকার করলে বা কাউকে কোনো কথা দিলে তা রক্ষা করাকে আহদ বা ওয়াদা পালন করা বলে। ওয়াদা পালন করা সচ্চরিত্র তথা তাকওয়াপূর্ণ জীবনযাপনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। শফিক নিয়মিত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলবে। এতে সে নিফাক থেকে মুক্ত থাকবে এবং পরোক্ষভাবে সত্যবাদিতা রক্ষা হবে। 

৩. সাধারণত কারও কাছে কোনো অর্থসম্পদ গচ্ছিত রাখাকে আমানত বলে। প্রকৃতপক্ষে একের কাছে অন্যের জান, মাল, সম্মান সবই আমানত। যিনি গচ্ছিত দ্রব্য প্রকৃত মালিকের কাছে অক্ষত অবস্থায় নিরাপদে ফিরিয়ে দেন, তাকে আমিন বা আমানতদার বলে। শফিক একজন আমানতদার হবে। কোনোরূপ খিয়ানত করবে না। আমানতদারিতা সত্যবাদিতার নামান্তর।

 

7 views

Related Questions