1 Answers
রহমান সাহেব পৃথিবী পরিচালনার দায়িত্বের ব্যাপারে যে মন্তব্য করেছেন, তা স্পষ্ট শিরক।
শিরকের কুফল হলো পরকালে ভয়াবহ শাস্তি। এ থেকে প্রতিকারের জন্য অবশ্যই একনিষ্ঠভাবে তাওবা করা জরুরি।
সমস্ত বিশ্বজগতের পরিচালক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। আল্লাহর সত্তা বা গুণাবলির সাথে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে শরিক করা কিংবা সমতুল্য মনে করাকে শিরক বলা হয়। যে শিরক করে তাকে মুশরিক বলা হয়। মহান আল্লাহ শিরকের গুনাহ ক্ষমা করেন না। তিনি ঘোষণা করেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। ইহা ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।” (সূরা আন-নিসা: ৪৮)
এছাড়া পরকালেও মুশরিকদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করবে আল্লাহ তার জন্য অবশ্যই জান্নাত হারাম করে দিবেন। এবং তার আবাস হবে জাহান্নাম। (সূরা আল-মায়িদা : ৭২)
উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে, রহমান সাহেব বিশ্বাস করেন, পৃথিবী পরিচালনার দায়িত্ব ভিন্ন ভিন্ন ফেরেশতার ওপর। তারা তাদের, দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পৃথিবী পরিচালনা করেন। মূলত, তার এ ধারণা ভ্রান্ত।
প্রকৃতপক্ষে মহাবিশ্বের সৃষ্টা আল্লাহর হাতেই সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ। সুতরাং রহমান সাহেবের ধারণা সম্পূর্ণ শিরকের শামিল। এজন্য পরকালে রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি। এ শাস্তি থেকে রেহাই পেতে হলে অবশ্যই খালেস নিয়তে তাওবা করে আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসী হতে হবে। তাহলেই সে পরকালে মুক্তি পেতে পারে।