1 Answers

উদ্দীপকে ইমাম সাহেব তার বক্তব্যে যে কিতাবের কথা বলেছেন, তা হলো আল-কুরআন। কেননা এর পাঠের মাধ্যমে মানুষের অন্তর পরিশুদ্ধ হয়।

কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত খুব বেশি। রাসুল (স.) বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব থেকে একটি হরফও পাঠ করবে সে একটি নেকি লাভ করবে। আর এ নেকির পরিমাণ হলো দশগুণ।” (তিরমিযি)

আল-কুরআন তিলাওয়াতকারীর মর্যাদা সমুন্নত করে। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য লাভ করতে পারে। কেননা রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন,  أَفْضَلُ عِبَادَةِ أُمَّتِى قِرَاءَةُ الْقُرْآنِ

অর্থ: "আমার উম্মতের উত্তম ইবাদত হলো কুরআন তিলাওয়াত।” (বায়হাকি) কুরআন তিলাওয়াতের দ্বারা মানুষের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি উদ্ভাসিত হয়। মানুষের অন্তরের মরিচা পরিশোধনের জন্য রাসুল (স.) দুটি কাজের কথা বলেছেন, একটি হলো বেশি বেশি আল্লাহকে স্মরণ, দ্বিতীয়টি-কুরআন তিলাওয়াত করা। এছাড়াও যথাযথভাবে কুরআন তিলাওয়াতকারী দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা লাভ করবে। কুরআন তিলাওয়াতকারী ও সে অনুযায়ী আমলকারীর পিতামাতাকে কিয়ামতের দিন সূর্যের চাইতে উজ্জ্বল মুকুট পরানো হবে।

তাই কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত অত্যন্ত ব্যাপক।

6 views

Related Questions