1 Answers
ডাক্তার রফিক মনে করেন, মানুষের সচেতনতাই খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ডাক্তারের ধারণাটি যৌক্তিক।
খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধ করতে হলে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এর জন্য গ্রামাঞ্চলে ও বস্তি এলাকায় সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে সভা, চিত্র প্রদর্শন করা এবং টিভি চ্যানেলগুলোর বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করা আবশ্যাক ।
খাদ্য ও পানিবাহিত রোগের জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য কাঁচা খাদ্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে। সংরক্ষণের স্থান যেমন- ফ্রিজ কয়েকদিন অন্তর অন্তর পরিষ্কার করতে হবে। মাছ-মাংস কাটার যন্ত্রপাতি- দা, চাকু, বটি ইত্যাদি কাটার পর পরিষ্কার করে ধুয়ে রাখতে হবে। কাঁচা মাছ, মাংস ও রান্না করা খাবার একই স্থানে সংরক্ষণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেসব পাত্রে খাদ্যদ্রব্য রাখা হয় সেসব পাত্র এবং চামচ, হাতা, খুন্তি পরিষ্কার করে রাখতে হবে। প্রচুর তরল খাবার ও পানি পান করতে হবে। রান্নার পাত্র, রান্নার স্থান ইত্যাদি ব্যবহারের পর পরিষ্কার রাখতে হবে। পায়খানা ব্যবহারের পর হাত ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। খাদ্য খাওয়া, রান্না বা পরিবেশনের আগে হাত ভালোভাবে ধুতে হবে। কাঁচা ফল, সবজি খাওয়ার সময় ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে। অপরিচ্ছন্ন হাতে খাদ্যদ্রব্য নাড়াচাড়া করা যাবে না। সংক্রামক রোগীর ব্যবহারের কাপড়- চোপড় পরিষ্কার করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে। রোগীর ঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। রোগীর যত্নের পর নিজেকে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
উপরিউক্ত কাজগুলো সর্তকভাবে করলে খাদ্য ও পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাই এসকল বিষয়ে জনগণকে সচেতন হতে হবে। সুতরাং ডাক্তারের ধারণাটি অত্যন্ত যৌক্তিক।