1 Answers
মাতৃগর্ভ হলো ভ্রূণের জীবন বিকাশের ভিত্তিকাল। গর্ভাবস্থার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা ভ্রূণের বিকাশকে প্রভাবিত করে। এজন্য গর্ভকালীন সময়ে পারিপার্শ্বিক প্রভাবের উপর বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।
পারিপার্শ্বিক প্রভাবের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক প্রভাব শিশুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা শিশুটি তার মায়ের শরীরের ভেতরই আস্তে আস্তে বেড়ে ওঠে। কিন্তু এসকল বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে কতগুলো বিষয়। এর মধ্যে জন্মের পূর্বকালীন অবস্থা অন্যতম।
শিশু যখন মায়ের গর্ভে অবস্থান করে তখন সে মায়ের থেকেই পুষ্টি লাভ করে। মায়ের অপুষ্টি শিশুর মধ্যে পুষ্টিহীনতা তৈরি করে দেয়। আবার অপরিণত বা বেশি উভয় বয়সেই সন্তান ধারণ করলে তা প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের যদি বিভিন্ন রোগ থাকে বা গর্ভের প্রথম তিন মাসের মধ্যে হাম, রুবেলা, যক্ষ্মার মত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয় তাও শিশুর বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। এছাড়া মায়ের সেবনকৃত ঔষধ রক্তের Rh উপাদান তেজষ্ক্রিয় বিকিরণ প্রভৃতি বিষয়গুলো মায়ের থেকে শিশুকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। আবার গর্ভবর্তী মায়ের মানসিক প্রভাব শিশুর জন্ম পূর্বক বর্ধনকে প্রভাবিত করে। কেননা মানসিকভাবে মা ক্ষতিগ্রস্থ হলে তার শরীরে তখন যে হরমোন নিঃসরন হয় তা সন্তানের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। অর্থাৎ বলা যায় গর্ভাবস্থায় যে সকল শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হয় তার মধ্যে জন্মের পূর্বকালীন অবস্থা অন্যতম। তাই ডাক্তারের বক্তব্যটি যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি।