1 Answers
শিশুকে বুকের দুধ পান করানোর মানসিক প্রস্তুতি গর্ভাবস্থাতেই গ্রহণ করতে হবে।
বুকের দুধ পান করানোর একটা রুটিন মেনে চলা ভালো। এতে শিশু নিয়মমাফিক দুধ পাবে বলে তার হজম ক্রিয়া স্বাভাবিক থাকবে এবং আগে থেকে রুটিন জানায় মাও মানসিক দিক দিয়ে দুধ দেবার জন্য প্রস্তুত থাকবে, মায়ের দুধ পরিমিত পরিমাণে নিঃসরিত হবে।
ডাক্তার বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সীমাকে যেসব নিয়ম মেনে চলতে ডাক্তার একের দুধ খাওয়ানো পান করানোর সময় শিশুর শরীর ও সীমার শরীর যথাসম্ভব কাছাকাছি রাখতে হবে। শিশুর মুখ সীমার বুকের দিকে ঘোরানো থাকবে। মুখে স্তনের বোঁটা সম্পূর্ণ ঢোকানো থাকবে। দুধ খাওয়ানো শেষে কাঁধের ওপর শিশুর পেট রেখে হাতের তালু দিয়ে পিঠের ওপর হালকাভাবে ২/৩ বার চাপ দিতে হবে। শিশু ঢেঁকুর তুলবে, এতে পেটের বাতাস বের হয়ে আসবে। শিশু আরাম অনুভব করবে। এক স্তন থেকে সম্পূর্ণ দুধ খাওয়ার পর প্রয়োজনে অন্য স্তন দিতে হবে। কারণ শিশু যখন স্তন পান শুরু করে তখন দুধে জলীয় অংশ বেশি থাকে যা শিশুর তৃষ্ণা মেটায়। পরের দুধ অপেক্ষাকৃত ঘন, এতে পুষ্টির মান বেশি। তাই বারবার স্তন পরিবর্তন করলে শিশু পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না। ২/৩ মাস বয়স পর্যন্ত শিশু কাঁদলেই দুধ দেওয়া যেতে পারে। সীমাকে দুধ খাওয়ানোর আগে ও পরে স্তনের বোটা পরিষ্কার ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে।
বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য সীমার আন্তরিক ইচ্ছা, ধৈর্য ও মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। সীমাকে ডাক্তার উল্লিখিত নিয়মগুলো মেনে চলতে বলেন।