1 Answers
ইমতিয়াজ তার রেস্টুরেন্টটি দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে চালান। তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যাতে খাদ্য তৈরি ও পরিবেশনে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করে তিনি সে বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন থাকেন।
পানি ও খাদ্যের সাথে আমাদের দেহে রোগ জীবাণু প্রবেশ করে। কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড, ডায়রিয়া ইত্যাদি রোগের জীবাণু কৃত্রিম খাদ্য ও পানি, দুধ প্রভৃতি খাদ্য দ্রব্যের সাথে মিশে সংক্রমিত হয়। কাঁচা মাংস, ডিম, দুধ, মাছ এবং উল্লিখিত খাদ্যদ্রব্যগুলোর দ্বারা তৈরি খাদ্যে স্যালমোনেলোসিস রোগের জীবাণু বিস্তার লাভ করে। স্টেফাইলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা উৎপন্ন টক্সিন স্টেফাইলোকক্কাস রোগের জন্য দায়ী। মাংস, ডিম, সালাদ, ক্রিম দেওয়া খাদ্য এই জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। ক্লোসট্রিডিয়াম বটুলিনাম এই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট টক্সিন থেকে বটুলিজম নামক রোগের সৃষ্টি হয়। ক্যানিংকৃত ও অপর্যাপ্ত প্রক্রিয়াজাতকৃত খাদ্য যেমন-মাশরুম, পালংশাক, জলপাই, গরুর মাংস ও মাছে এ জীবাণু পাওয়া যায়।
সিগেলা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ক্যাসিলারি ডিসেন্ট্রি নামক রোগ হয়। অপরিচ্ছন্ন হাতে খাদ্য নাড়াচাড়া করলে এ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। পেটের পীড়া, কলেরা, ডায়রিয়া প্রভৃতি রোগ ভিবরিও কলেরা জীবাণু দ্বারা হয়ে থাকে। হেপাটাইটিস বা জন্ডিস রোগ হেপাটাইটিস এ ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয়। কাঁচা খাওয়া হয় এমন সবজিতে এই রোগের জীবাণু পাওয়া যায়। এছাড়া এন্টামি বা হিস্টোলাইটিকা, ভিবরিও প্যারাহিমোলাইটিকাস, ইন্টারো ভাইরাস, রোটা-ভাইরাস, পারভো-ভাইরাস প্রভৃতি জীবাণু বিভিন্ন রোগ ছড়ায়।
খাদ্যসামগ্রী ভালোভাবে ধোয়া, বাসি পচা খাবার সরবরাহ না করা, রান্নায় বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য পরিবেশন প্রভৃতির মাধ্যমে উল্লিখিত রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সুতরাং ইমতিয়াজের ধারণাটি যথার্থ।