1 Answers
খাদ্য পচে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বহুদিন যাবৎ অবিকৃত রাখার জন্য যেসব দ্রব্য ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে খাদ্য সংরক্ষক দ্রব্য বলে।
সংরক্ষক দ্রব্য দুই প্রকার। যথা: প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক এবং কৃত্রিম খাদ্য সংরক্ষক। প্রকৃতি থেকে সরাসরি প্রাপ্ত সংরক্ষণের রাসায়নিক দ্রব্য হলো প্রাকৃতিক সংরক্ষক এবং কৃত্রিমভাবে প্রাপ্ত সংরক্ষণের রাসায়নিক দ্রব্য হলো কৃত্রিম সংরক্ষক।
উদ্দীপকের মিলি মাছ, মাংস, টমোটো, জলপাই, পেয়ারা, মরিচ ও জিরা বাজার থেকে কিনে আনে। এর মধ্যে মাছ সংরক্ষণে সে খাদ্য লবণের দ্রবণ ব্যবহার করতে পারে। খাদ্য লবণ উক্ত মাছে কোনো ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি হতে দিবে না। টমেটো, জলপাই, পেয়ারার আচার তৈরি করে সরিষার তেলে ডুবিয়ে বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবে। এছাড়া' কৃত্রিম সংরক্ষক যেমন- সোডিয়াম বেনজোয়েট, অ্যাসিটিক এসিড ও মসলা ব্যবহার করে খাদ্যগুলো সংরক্ষণ করতে পারে। এছাড়া ব্রাইন পদ্ধতিতেও ফল ও সবজি সংরক্ষণ করতে পারে। মিলি ক্রয়কৃত খাদ্য সংরক্ষনে যেসব সংরক্ষক ব্যবহার করে তার মধ্যে ব্রাইন হলো ২% লবণের জলীয় দ্রবন। ফল ও সবজি যাতে বাতাসের সংস্পর্শে বিবর্ন না হয় সেজন্য ২% লবণ পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়। বিভিন্ন সংরক্ষক দ্রব্য যেমন- সোডিয়াম বেনজোয়েট, অ্যাসিটিক এসিড ও মসলা খাদ্যে ব্যবহার করে খাদ্যকে ব্যাকটেরিয়া ও অনুজীব দ্বারা আক্রান্তের হাত থেকে রক্ষা করে বহুদিন সংরক্ষণ করা যায়।