1 Answers
উদ্দীপকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর সৃষ্টির প্রযুক্তিটি হলো ন্যানোটেকনোলজি। কোনো একটি বস্তুর কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ প্রযুক্তি বা যন্ত্র ব্যবহার করে অণু বা পরমাণুগুলোকে ন্যানো মিটার স্কেলে বা ন্যানো পার্টিকেল রূপে পরিবর্তন করার প্রযুক্তিই হলো ন্যানোটেকনোলজি। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স, খাদ্য, প্যাকেজিং, ক্লথিং, ফুয়েল ক্যাটালিস্ট, গৃহ-সামগ্রী, ঔষধ ইত্যাদিতে ন্যানো টেকনোলজির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে খাদ্য শিল্পের ক্ষেত্রে ন্যানো টেকনোলজির বহুবিধ প্রভাব লক্ষণীয়। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ থেকে খাদ্য উৎপাদন, প্যাকেজিং, পরিবহন এবং পুষ্টি মান বজায় রাখতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে খাদ্য সংরক্ষণ করা সহজ হয়েছে। ফলে খাদ্যের নিরাপত্তা বিধান করাও সম্ভব হচ্ছে। এ প্রযুক্তির প্রয়োগে খাদ্যের স্বাদ বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়াও খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেজিং এর সিলভার তৈরির কাজে এবং বিভিন্ন জিনিসের প্রলেপ তৈরির কাজে ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।
উপরের বর্ণনা থেকে বোঝা যায় যে, খাদ্য সম্পদ উন্নয়নে ন্যানোপ্রযুক্তি ব্যাপক প্রভাব রাখে।