1 Answers

ডাক্তার হাফিজ সাহেবকে কিছুটা শারীরিক পরিশ্রম ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে বলেন। তার এ বক্তব্যটি যথার্থ।

হাফিজ সাহেবের বয়স ৬৫ বছর। এসময়কে বার্ধক্য বলা হয়। এ বয়সে দেহের বিভিন্ন গ্রন্থি ও কলার কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। বিশেষ করে থাইরয়েড, অগ্ন্যাশয়, বৃক্ক ইত্যাদি। এ সময়ে হজম শক্তিও হ্রাস পায় এবং পুষ্টি চাহিদাও কমে যায়।

বৃদ্ধ বয়সে কম বেশি প্রত্যেক গ্রন্থি ও পেশির স্বাস্থ্যহানি ঘটে। ফলে নানারকম জটিলতা ও অসুস্থতা দেখা দেয় যা পুষ্টি চাহিদাকে প্রভাবিত করে। এসময় ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্টের চাহিদা কমলেও ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের যথেষ্ট চাহিদা থাকে। এ সময় তাকে তার বয়স অনুযায়ী সুষম খাবার দিতে হবে। এছাড়া অসুস্থতার কারণে নিয়মিত ঔষুধ গ্রহণ করার ফলে কিছু পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা যায় যা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Supplimention হিসেবে দেয়া যায়। এ বয়সে শারীরিক সুস্থতার জন্য হাঁটাচলা বা শারীরিক পরিশ্রম আবশ্যক। এতে করে তার গৃহীত শক্তি ব্যয় হয় এবং হজম শক্তি বাড়ে। এটা তাকে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও দান করে।

তাই বলা যায়, বার্ধক্যে সুষম খাদ্য গ্রহণের পাশাপাশি কিছুটা শারীরিক পরিশ্রম করা দরকার।

5 views

Related Questions