1 Answers

ডাক্তারের উক্তিটি হলো- 'সকলেরই উচিত খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক শিক্ষা গ্রহণ করা।' ডাক্তারের উক্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য অপুষ্টি একটি মারাত্মক সমস্যা। অপুষ্টি দূরীকরণের জন্য পুষ্টিকর খাদ্যের পর্যাপ্ততা যেমন জরুরি, তেমনি জরুরি খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক শিক্ষার প্রসার। কারণ খাদ্যের পর্যাপ্ততা থাকলেও কোন খাদ্যে কোন উপাদান আছে এবং তা কী পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে তা না জানলে অপুষ্টির হাত থেকে কোনো জাতির মুক্তি অসম্ভব।

খাদ্য ও পুষ্টি শিক্ষার মাধ্যমে যেসব তথ্য জানা যায় সেগুলো হলো- 

১. খাদ্যের উপাদান, উৎস, কাজ ও অভাবজনিত অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 

২. খাদ্য পরিপাক ও শোষণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 

৩. পুষ্টির চাহিদা নির্ণয় করা যায়।

৪. প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য নির্বাচন ও সঠিক পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ সম্পর্কে জানা যায়। 

৫. কম দামে অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যের সাথে পরিচিত হওয়া যায়। 

৬. জনগণ ছোট পরিবার গঠনে উৎসাহিত হয়। 

৭. মায়ের দুধের পুষ্টি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 

৮. পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুষম খাদ্য বণ্টন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 

৯. পথ্য পরিকল্পনা সম্পর্কে জানা যায়। 

১০. রোগ সংক্রমণের সাথে অপুষ্টির সম্পর্ক জানা যায়। 

১১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সাথে অপুষ্টির সম্পর্ক জানা যায়। 

১২. খাদ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা সম্পর্কে জেনে তা রোধের পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হয়। 

সুতরাং সুস্থ, সবল ও নীরোগ দেহ গঠনে খাদ্য ও পুষ্টি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।

5 views

Related Questions