1 Answers

সমগ্র জীবনের আচরণ ধারার মূলভিত্তি শৈশবকালেই রচিত হয়। শিশু শৈশবকালে যে শিক্ষা পায় তা তার পরবর্তী জীবনকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। অর্থাৎ শিশুর শৈশবকালীন সঠিক বিকাশের অভাব হলে পরবর্তী সময়ে শিশুর সঠিক ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে না।

রাইয়ানের বয়স দুই বছর। রাইয়ানের পারিবারিক পরিবেশ তার সুষ্ঠু বিকাশের ক্ষেত্রে উপযুক্ত নয়। এ বয়সে সে যা দেখে তাই শেখে। বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার বাবা ও মায়ের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। তারা মাঝে মাঝে রাইয়ানের সামনেই ঝগড়া করেন। এতে রাইয়ানের শিশু মনের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। বাবা-মায়ের মতবিরোধের ফলে সে অবহেলা ও অনাদরে লালিত হয়, সুষ্ঠু পারিবারিক পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে তার শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশের ভিত্তি দুর্বলভাবে গড়ে উঠবে। শৈশব পরবর্তী সময়ে মানুষের নিজস্ব বিবেচনাবোধ গড়ে ওঠে। শৈশব পরবর্তী সময়ের বিকাশ তাই শৈশবের মতো সংকটময় নয়। এ বয়সে তার অর্জিত অভিজ্ঞতা তার পরবর্তী জীবনকে প্রভাবিত করবে। তাই পারিবারিক নেতিবাচক অভিজ্ঞতা তার বিকাশকে ব্যাহত করে। সুতরাং বলা যায়, রাইয়ানের সুষ্ঠু বিকাশের ক্ষেত্রে তার দাদির উক্তিটি যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে।

6 views

Related Questions