1 Answers

উদ্দীপকের আরিফ ছোটবেলা থেকেই পরোপকারী। বর্তমানে তিনি সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। একদিন রাস্তায় স্কুল শিক্ষকের সাথে তার দেখা হয়। তিনি তাকে সম্মান প্রদর্শন করে গাড়িতে উঠিয়ে গন্তব্যস্থানে পৌঁছে দেন। তার এ আচরণে প্রকৃত ছাত্রের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে এবং শিক্ষকের দেওয়া শিক্ষার যথার্থ প্রতিফলন ঘটেছে।

শিক্ষকগণ পরম শ্রদ্ধার পাত্র। কারণ তারা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। পিতামাতা সন্তান জন্ম দেয় মাত্র; কিন্তু শিক্ষকগণ তাদেরকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। তারা শিক্ষার্থীদের তাদের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবগত করেন এবং সে আলোকে জীবন গড়তে শিক্ষা প্রদান করেন। তারা শিক্ষার্থীকে ধর্মীয় নিয়মকানুন, আদব-কায়দা, বিনয়-নম্রতা, নিয়মানুবর্তিতা, দয়া, সহানুভূতি, সম্মান প্রদর্শন ইত্যাদি শিক্ষা দিয়ে থাকেন যা তারা পরিণত বয়সে কাজে লাগিয়ে সার্বিক উন্নতি লাভ করে। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের জ্ঞানের উত্তরাধিকারী হয়।

আরিফ শিক্ষকের দেওয়া শিক্ষার গুণে গুণান্বিত হয়ে তাঁর প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন। শিক্ষককে গন্তব্যে পৌছে দিয়ে তাঁর মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন। এটিই প্রত্যাশিত। সুতরাং আমরা বলতে পারি, আরিফের কাজ শিক্ষককে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, যা কোনো অর্থের মানদণ্ডে তুলনীয় নয়।

4 views

Related Questions