1 Answers
শিশুর শৈশবের ইতিবাচক মনোভাব, সুঅভ্যাস, যথাযথ আচরণ ও আবেগ পরবর্তী জীবনে তাকে সাহায্য করে। শৈশবের সুষ্ঠু বিকাশের ফলে একটি শিশু সমাজের উপযুক্ত হয়ে গড়ে ওঠে। শিশু যে অভিজ্ঞতা অর্জন করে তা পরবর্তী জীবনে যোগ্যতা অর্জনে প্রভাব বিস্তার করে। শিশুর জীবনে পরিবার ও সমাজ এক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে যা পরবর্তী জীবনের ভিত তৈরি করে।
রাইয়ানের সুষ্ঠু বিকাশ তাকে পরবর্তী জীবনে বিভিন্নভাবে সাহায্য করতে পারে। তার শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা তার ভবিষ্যতের চলার পথকে সুগম করবে। শৈশবে তার অর্জিত সুঅভ্যাস তার জীবনকে সুন্দর করে তুলবে। রাইয়ানের সুষ্ঠু বিকাশ হলে সে বয়স অনুযায়ী সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে, পরিবেশ অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত আচরণ করতে শিখবে। শৈশবের সুষ্ঠু বিকাশ তার মাঝে সহযোগিতা, সহানুভূতিশীলতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি গুণাবলি সৃষ্টি করবে। অর্থাৎ শৈশবে রাইয়ানের সুষ্ঠু বিকাশ হলে পরবর্তী জীবনে তার ব্যক্তিত্বের সঠিক উন্মেষ ঘটবে।