1 Answers

রাশেদ সাহেব হোস্টেলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বসবাসের পাশাপাশি খাদ্যের ব্যবস্থা রেখেছেন। তার হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের যথাযথ পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা। বক্তব্যটি যথার্থ। পুষ্টিসম্মত ও পরিচ্ছন্ন খাদ্য পরিবেশন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাতিষ্ঠানিক খাদ্য ব্যবস্থাপনায় কতগুলো বিষয় বিবেচনা করা হয়। যেমন-

সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য দৈনিক খাদ্যতালিকা তৈরি করতে হবে। ব্যবস্থাপক, পাচক, সাহায্যকারী, কর্মী প্রত্যেককে নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। ব্যবস্থাপকের প্রত্যেকের দায়িত্ব বণ্টনে সজাগ হতে হবে। সকলের কাজ ব্যবস্থাপককে তদারকি করতে হবে। দৈনিক প্রয়োজনীয় চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য প্রস্তুত করতে হবে। এর ফলে খাদ্যের অপচয় রোধ করা যাবে। খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের মান উন্নয়ন করা ও মান বজায় রাখতে হবে। রন্ধন ও পরিবেশনে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে এবং জনস্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হতে হবে। রন্ধনশালার প্রতি বিশেষ যত্নবান হতে হবে। বাজেট অনুযায়ী ব্যয় করতে হবে। খাদ্য ক্রয়, গুদামজাত, প্রক্রিয়াকরণ, রান্না ও পরিবেশন ইত্যাদি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা প্রয়োজন। মেনু অনুযায়ী রন্ধন পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে। পরিবেশন পদ্ধতি অনুযায়ী স্থানের বিন্যাস ঠিক করতে হবে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মীর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের পয়ঃপ্রণালি ও আবর্জনা নিষ্কাশনের ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। পরিবেশন তদারক করতে হবে। এতে রন্ধন পদ্ধতি সঠিক থাকবে এবং পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত হবে।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে রাশেদ সাহেব তার হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের যথাযথ পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত। করতে পারবেন।

5 views

Related Questions