1 Answers
উদ্দীপকে জলিল মিয়া জমিতে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির চাষ করেন।
শাকসবজি পচনশীল ফসল। আমাদের দেশের উৎপাদিত শাকসবজির শতকরা প্রায় ২৫-৩০ ভাগ উপযুক্ত সংরক্ষণের অভাবে পচে নষ্ট হয়ে যায়। যদি উৎপাদিত শাকসবজি প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণ করা যায়, তাহলে একদিকে যেমন সারা বছরের চাহিদার অনেক অংশ মেটানো সম্ভব হবে, অন্যদিকে কৃষক আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে। শাকসবজি সংরক্ষণের বিভিন্ন উপায় আছে।
সংরক্ষণকালীন মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে শাকসবজিকে প্রধানত দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা-স্বল্পকালীন সংরক্ষণ ও দীর্ঘকালীন সংরক্ষণ। তাজা অবস্থায় অপেক্ষাকৃত কম সময়ের জন্য শাকসবজিকে স্বল্পকালীন সংরক্ষণ করা হয়। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ছায়াযুক্ত স্থানে শাকসবজি সংরক্ষণ করতে হয়। তাপমাত্রা, আপেক্ষিক আর্দ্রতা ও বায়ু চলাচল পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘকালীন সময়ের জন্য শাকসবজি সংরক্ষণ করা হয়। এক্ষেত্রে হিমায়িত সংরক্ষণ পদ্ধতিতে হিমাগারে অক্সিজেন কমিয়ে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বাড়িয়ে শাকসবজির শ্বসনকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ডিপফ্রিজারে -১৮°সে. তাপমাত্রার নিচে সংরক্ষণ করলে শাকসবজি বহুদিন খাওয়ার উপযুক্ত থাকে। অসংখ্য শাকসবজিকে শুকিয়ে অথবা প্রক্রিয়াজাত করে ও দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা যায়।
পরিশেষে বলা যায়, সারা বছরের পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করতে উপরের বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে শাকসবজি সংরক্ষণ করা জরুরি।