1 Answers

উদ্দীপকে বিপত্নীক ও বিধবা বিবাহের কথা আলোচনা করা হয়েছে। সাধারণত একজন পুরুষের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর এবং একজন মহিলার স্বামী মারা যাওয়ার পর তাদের পরস্পরের মধ্যে যে বিবাহ সম্পাদিত হয় তাকে বিধবা এবং বিপত্নীক বিবাহ পদ্ধতি বলে। এ ধরনের বিবাহের ব্যবস্থা না থাকলে সমাজে নানা ধরনের সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হতো। যেমন- সামাজিক নিরাপত্তার অভাব পূরণের জন্য পুরুষ বা মহিলার দ্বিতীয় বিবাহের দরকার হয়। বিধবা বিবাহ না থাকলে বিধবারা সমাজে অসহায় হয়ে থাকত। কোনো কারণে তাদের স্বামী মারা গেলে এবং সন্তান-সন্ততি না থাকলে তারা কোনো অবলম্বন পেত না। এতে তাদের জীবনের কোনো নিশ্চয়তা থাকত না। বিধবা ও বিপত্নীক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কারণে বিধবা, বিপত্নীক অসহায় নারী ও পুরুষ সম্মানজনক জীবনযাপনের সুযোগ পায়। তারা নিরুপায় জীবনযাপনের হাত থেকে নিরাপদ জীবনের ঠিকানা পায়। বিধবা বিবাহের প্রথা চালু থাকায় তারা বাকি জীবনটি অতিবাহিত করার একটি সঠিক সমাধান পায়। বিধবা ও বিপত্নীক বিবাহ প্রথা চালু না থাকলে এ পরিস্থিতির শিকার নারী ও পুরুষেরা সমাজে অবহেলিত, অনিরাপদ ও অনিশ্চিত জীবনযাপন করত। জীবন তাদের কাছে অস্বাভাবিক মনে হতো। বেঁচে না থেকে তারা মৃত্যু কামনা করত। কিন্তু এ রীতি প্রচলিত থাকায় সমাজের বিধবা ও বিপত্নীক নারী ও পুরুষেরা স্বাভাবিক জীবনযাপনের অবলম্বন খুঁজে পায়।

6 views

Related Questions