1 Answers
নার্সের বক্তব্যটি ছিল "সুতপার প্রসব জটিলতা শিশুর বিকাশে প্রভাব ফেলবে।” নিচে এ বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হলো-
নবজাতকের জন্ম। পরবর্তী অভিযোজন ও সুষ্ঠু বিকাশের উপর প্রসবকালীন প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রসবকালীন সময়ে বিভিন্ন ঘটনা শিশুর বিকাশে প্রভাব বিস্তার করে। প্রসবকালে সুতপার দেহে যে ঔষধ প্রয়োগ করা হয়েছে তা শিশুর দেহেও প্রবেশ করে। মায়ের ব্যথা উপশমের জন্য যে Sedative বা নিস্তেজক দেওয়া হয় তাতে শিশুর হৃদস্পন্দনের গতির পরিবর্তন হয় এবং পারিপার্শ্বিকতার প্রতি নিষ্ক্রিয় থাকে। তড়িঘড়ি করে যন্ত্র দিয়ে প্রসব করানোর ফলে অক্সিজেনের অভাব হতে পারে। কারণ ভূমিষ্ঠ হওয়ার কিছু পরেই শিশু তার নিজস্ব শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া ব্যবহার করে। এর আগে মায়ের দেহ হতে শিশুকে বিচ্ছিন্ন করা হলে অক্সিজেনের ঘাটতি হতে পারে। এসব শিশু বেঁচে থাকলেও তাদের অঙ্গসঞ্চালন ক্ষমতা ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়, অর্থাৎ তারা সারাজীবনের জন্য পরিবার, সমাজের বোঝা হয়ে পড়ে।
সুতপার শিশুটি জন্মের সময় মাথায় আঘাত পায় যা তার পরবর্তী বিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে। সুতরাং বলা যায়, নার্সের বক্তব্যটি যথার্থ।