1 Answers

রূপা প্রসূতি মায়ের উদ্দেশ্যে গর্ভস্থ শিশুর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব রাখার জন্য বলেন, যা শিশুর সুষ্ঠু বিকাশকে প্রভাবিত করে।

সদ্যোজাত শিশুর ওপর মা-বাবার মনোভাব শিশুর পরবর্তী বিকাশকে প্রভাবিত করে। যেমন-

যেসব মা-বাবার সন্তান পালনের অভিজ্ঞতা আছে, সেসব মা-বাবা সন্তান পালনে বেশ আত্মবিশ্বাসী থাকেন। সন্তান প্রসব দীর্ঘায়িত ও কষ্টসাধ্য না হলে সন্তানের প্রতি মা-বাবার মনোভাব কিছুটা ইতিবাচক হয়। আবার সন্তান জন্মদানের পর মা যত তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠেন, তত তাড়াতাড়ি সে সন্তানের যত্ন নিতে পারেন। ফলে সন্তানের প্রতি তাদের আত্মপ্রত্যয় বেশি থাকে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রসব, অপরিণত শিশুর জন্ম, কষ্টসাধ্য প্রসব, প্রসবের পর নানা ধরনের জটিলতা, দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকা ইত্যাদি কারণে সন্তান প্রসবে অনেক অর্থের প্রয়োজন হয়। ফলে মা-বাবা অনেক উদ্বিগ্ন থাকেন। সন্তানের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হতে পারে। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর যদি দেখা যায় সন্তানটির শারীরিক ত্রুটি বা বৈকল্য রয়েছে বা চিকিৎসা সেবার জন্য দীর্ঘদিন হাসপাতালে রাখা প্রয়োজন, তখন সন্তানের ভবিষ্যত সম্পর্কে মা-বাবার মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। আবার সন্তান প্রতিপালনে মা- বাবার পরিশ্রম, আরাম-আয়েশ বিসর্জন, অর্থ ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়গুলো অনেক সময় মা-বাবার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। অপ্রত্যাশিত সন্তান হলে এই ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়।

অতএব, প্রসূতি মায়ের উদ্দেশ্যে বলা রূপার বক্তব্যটি যথার্থ।

4 views

Related Questions