1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিশুটি কোয়াশিয়রকর রোগে ভুগছে। কোয়াশিয়রকর রোগে সাধারণত দুই আড়াই বছরের শিশুরা আক্রান্ত হয়। যে সকল শিশু অতি শৈশবে মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় এবং পরবর্তীতে বাড়তি খাবারেও প্রোটিনের ঘাটতির সম্মুখীন হয় তারা সাধারণত এই রোগে আক্রান্ত হয়। যেকোনো রোগের প্রতিকারের থেকে প্রতিরোধই উত্তম। তারপরও যদি কেউ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে তাহলে তার সুস্থতার জন্য কিছু উপায় অবলম্বন করতে হবে। উদ্দীপকের শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য যা করতে হবে তা নিচে দেওয়া হলো-
১. যেহেতু প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও ক্যালরির অভাবে আক্রান্ত শিশুটি অরুচিতে ভুগছে এবং তার হজমশক্তি হ্রাস পেয়েছে, সেহেতু ক্যালরিসমৃদ্ধ ও পুষ্টিকর খাবার অল্প পরিমাণে তাকে বারবার খেতে দিতে হবে।
২. খাবার দেওয়ার সময় খাদ্যের সহজপাচ্যতা, ক্যালরি, প্রোটিন ও সহজে হজম হয় ইত্যাদি বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৩. শিশুটিকে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।
৪. শিশুটির খাবারে লবণের পরিমাণ কম দিতে হবে।
৫. নিয়মিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন 'এ' ও 'বি' কমপ্লেক্স ট্যাবলেট দিতে হবে।
৬. প্রয়োজনীয় ডাক্তারী চিকিৎসা দিতে হবে।
৭. পানিশূন্যতা থাকলে শিশুকে পরিমাণমতো খাবার স্যালাইন দিতে হবে।
৮. নিয়মিত শিশুটির পরীক্ষা করতে হবে। ওজন নিতে হবে। টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
উপরিউক্ত উপায়ে শিশুটিকে দ্রুত সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।