1 Answers

করিমদের সাহায্যে "জাতীয় এইডস কমিটি" সংস্থাটি এগিয়ে আসে।

বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৫ সালে জাতীয় এইডস কমিটি গঠন করে। জাতীয় এইডস কমিটি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় কাজ করে এবং এইডস প্রতিরোধ সম্পর্কে পরামর্শ দেয়। ১৯৮৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আর্থিক সহায়তায় স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় এইডস প্রতিরোধের কর্মকান্ড আরম্ভ হয়। বিগত শতাব্দীর নব্বই দশক থেকে ব্যাপকভাবে বাংলাদেশ সরকার এইডস নিয়ন্ত্রণর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে-

  • ১৯৯৭ সালে এইচআইভি/এইডস এবং যৌনরোগবিষয়ক জাতীয় নীতি প্রণয়ন ও অনুমোদন;
  • ২০০৫ সালে এইচআইভি/এইডসবিষয়ক জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা (National Strategic Plan: NSP) অনুমোদিত ও গৃহীত হয়। এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য বাংলাদেশে এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ, এইচআইভি সংক্রমিতদের সেবাদান ও এইচআইভি/এইডস-এর প্রভাব হ্রাস করা;
  • নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০০২ সালে এ বিষয়ে আইন পাস। ইতোমধ্যে দেশে ৯৮টি রক্ত পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে রক্তে এইচআইভি/এইডসসহ অন্যান্য যৌনরোগের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়;
  • বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য সচেতনতা কর্মসূচি ও ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা পরিচালনা;
  • দেশব্যাপী বিশ্ব দিবস পালনের ব্যবস্থা করা;
  • এইচআইভি/এইডস বিষয়ে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি জানার জন্য' নিয়মিত নিরীক্ষণমূলক জরিপ পরিচালনা;

উল্লিখিত কাজগুলোর মাধ্যমে জাতীয় এইডস কমিটি এইচআইভি এইডস প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

5 views

Related Questions