1 Answers

খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ জীবাণুগলো খাদ্য ও পানির মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।

খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ দেহ হতে অন্য দেহে সংক্রমিত হয়ে অনেক সময় মহামারী আকার ধারণ করে। আমাদের সতর্কতা এসব জীবাণুঘটিত রোগ সংক্রমনের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে।

উদ্দীপকের মিলুর বাবা-মাও এ ব্যাপারে বেশ সচেতনতা অবলম্বন করে। তারা খাদ্য ও পানি বাহিত রোগের প্রতিরোধে নিম্নলিখিত সচেতনতাগুলো অবলম্বন করেন-

i. রোগজীবাণু সংক্রমন প্রতিরোধে কাঁচা খাদ্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গায় সংরক্ষন করেন। 

ii. রান্নার তৈজসপত্র পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখেন। 

iii. মিলুকে বাইরের খাবার না খাওয়ার জন্য উৎসাহী করেন। 

iv. সবসময় হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে খাদ্য দ্রব্য ধরেন। 

v. সংরক্ষনের স্থান পরিচ্ছন্ন রাখেন। 

vi. সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে সাবধান থাকেন। 

vii. খাদ্য খাওয়া, রান্না ও পরিবেশনের সময় হাত পরিষ্কার করে নেন। 

viii. পায়খানা ব্যবহারের পর হাত ভাল করে ধুয়ে নেন। 

ix. অপরিচ্ছন্ন হাতে খাদ্য দ্রব্য নাড়াচাড়া করেন না। 

x. রোগীর ঘর পরিষ্কার রাখেন। 

xi. প্রচুর তরল খাবার ও পানি পান করেন।

xii. কাঁচা মাছ, মাংস রান্না করা খাবারের সাথে এক সাথে রাখেন না। 

মিলুর বাবা-মা খাদ্য ও পানিবাহিত রোগের প্রতিরোধে এসকল সচেতন ভূমিকা পালন করে।

5 views

Related Questions