1 Answers
তিথিকে অপরিণত বয়সে বিয়ে দেওয়া হয়। অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ফলে সে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হবে। উক্ত সমস্যাগুলো প্রতিরোধে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হবে।
অপরিণত বয়সে বাবা-মা বিয়ের ব্যবস্থা করলে নিজের বা বন্ধুদের মাধ্যমে বাবা-মার সাথে আলোচনা করে দৃঢ়ভাবে বিয়ের ব্যবস্থা প্রতিরোধে রুখে দাঁড়াতে হবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে। বাল্যবিবাহ দেওয়ার চেষ্টা করা হলে প্রয়োজনে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনসম্মত ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরিণত বয়সে গর্ভবতী হলে মা ও শিশুর জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়। তাছাড়া ছেলেমেয়ে উভয়ের মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়, উভয়ের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। এসব কথা প্রচার করতে হবে। অপরিণত বয়সে গর্ভধারণে প্রতিবন্ধী বা অসুস্থ সন্তান জন্ম নিতে পারে এ সম্পর্কে জানিয়ে সকলকে সচেতন করা প্রয়োজন। অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ফলে মা ক্রমশ স্বাস্থ্যহীন হয়ে পড়ে ও স্বাভাবিক দৈহিক কাজকর্ম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয় এবং পরিবারে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। তাছাড়া অসুস্থ মা ও শিশু উভয়ের দেহ গঠনের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার ও চিকিৎসার প্রয়োজন। এজন্য অতিরিক্ত অর্থের দরকার হয় তা পরিবারের লোকজনকে বুঝিয়ে বলতে হবে।
উপরিউক্ত বিষয়সমূহ তথ্যচিত্রের মাধ্যমে পোস্টার ও পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। গণমাধ্যম এ ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।