1 Answers

ফাহিমার সুস্থতার জন্য তার প্রজনন স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

নারী ও পুরুষ উভয়ের প্রজনন স্বাস্থ্যের পরিচর্যা প্রয়োজন। তবে যেহেতু নারী সন্তান জন্মদানের প্রক্রিয়ায় ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই তাদের প্রজনন স্বাস্থ্যের দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

করলে প্রসবকালীন সময় ঝুঁকিমুক্ত থাকা যায়। প্রসবকালীন সময় এবং এর আগে থা পরে প্রজনন অঙ্গের কোনো রোগ দেখা দিলে সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করলে, সংক্রামক রোগ এবং যৌন রোগের ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকা যায়। প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে হলে করণীয় হলো-

সবার উচিত প্রজনন অঙ্গগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা। প্রজনন স্বাস্থ্যের পরিচর্যার অভাবে নারীদের জরায়ুর মুখে ক্যান্সার হতে পারে। এক্ষেত্রে ক্যান্সার না হওয়ার জন্য টিকা দেওয়া। অপ্রাপ্ত বয়সে গর্ভধারণ না করার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। যৌনবাহিত রোগগুলো থেকে মুক্ত থাকার জন্য অনিরাপদ শারীরিক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। 'এছাড়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।

প্রজনন স্বাস্থ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিবার পরিকল্পনা। এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলতে সরকারকে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে। প্রজনন স্বাস্থ্য নরনারী যে কারও জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য বিষয়টিকে স্কুল-কলেজের পাঠ্যক্রমে আনতে হবে। এছাড়া জেলা হাসপাতাল, মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। একমাত্র যথাযথ জ্ঞান ও সঠিক আচরণের মধ্য দিয়েই প্রজনন স্বাস্থ্যের সুরক্ষা সম্ভব।

5 views

Related Questions