1 Answers
ফাহিমার পরিবারে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার জন্য অবশ্যই প্রজনন স্বাস্থ্যের পরিচর্যা প্রয়োজন। প্রজনন স্বাস্থ্যের সঠিক পরিচর্যার জন্য সবাইকে এ সম্পর্কে জানতে হবে।
ফাহিমার বয়স ২৫ বছর হলেও বার বার সন্তান ধারণ ও প্রসবকালীন জটিলতার কারণে তার বয়স ৪০ বছর বলে মনে হয়। পঞ্চম সন্তানটি জন্মদানের সময় মারা যায়। এছাড়া তার সন্তানরা ঠিকমতো খেতে পায় না। এমতাবস্থায় ফাহিমার পরিবারের জন্য প্রজনন স্বাস্থ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তার পরিবারকে এ বিষয়ে সচেতন করা গেলে তারা ঘন ঘন সন্তান ধারণ না করা ও নিরাপদ মাতৃত্ব সম্পর্কে সচেতন হবে। এছাড়া তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের এর আওতায় আনলে তারাও বয়ঃসন্ধিকালের সমস্যা সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে। প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানলে অনিরাপদ গর্ভপাত রোধসহ তারা সন্তানের মৃত্যু রোধে সচেষ্ট হতে পারবে। নিজেদের স্বাস্থ্য ও সামর্থ্যের কথা বিবেচনা করে পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে। ভবিষ্যতে ফাহিমা মেনোপজজনিত সমস্যা মোকাবেলা করে সুষ্ঠু ও সুন্দর জীবনযাপন করতে পারবে। তাই বলা যায়, ফাহিমার পরিবারে প্রজনন স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।