1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

প্রকৃতির নিয়মকানুন অনুযায়ী ঘটনাবলির কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করে কোনো ঘটনার সুশৃঙ্খল ব্যাখ্যাদান করাই হলো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। যুক্তিবিদ কার্ভেথ রিড এর বক্তব্যটি এক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেন, 'ঘটনাসমূহের মধ্যকার নিয়মাবলি আবিষ্কার, অবরোহন ও সংযুক্তকরণের মাধ্যমেই গঠিত হয় বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। যেমন : 'চন্দ্রগ্রহণ'কে বলা হয়, সূর্য, পৃথিবী ও চন্দ্র যখন এক সমান্তরালে এসে পড়ে তখন পৃথিবীর ছায়ার মধ্য দিয়ে চাঁদকে অতিক্রম করতে হয় বলে চন্দ্রহণ হয়। তাহলে এ ব্যাখ্যাটি হবে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।

উদ্দীপকেও আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর পর বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়। এতে অনুমান করা হয়, বিদ্যুৎই বজ্রের কারণ। কিন্তু ব্যাপারটি আসলে তা নয়, বিদ্যুৎ ও বজ্রধ্বনির কয়েকটি ধাপ রয়েছে। তা হলো-

→ বিদ্যুৎ তাপ সৃষ্টি করে। 

→ তাপ বায়ুর আকস্মিক প্রসারণ ঘটায়। 

→ আর বায়ুর প্রসারণ শব্দ (বজ্রগর্জন) সৃষ্টি করে।

অতএব, এ ধাপগুলোর কারণেই বজ্রধ্বনি হয়ে থাকে, যা একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।

5 views

Related Questions