1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকের ভ্রান্ত নিরীক্ষণ এর ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ বিষয়কে সম্পর্কযুক্ত করছে। ভ্রান্ত নিরীক্ষণ অর্থ ভুল প্রত্যক্ষণ বা ভুল দেখা। কোনো বিষয় ঘটনা বা বসন্তকে যেভাবে দেখার কথা, সেভাবে না দেশে অন্যভাবে দেখলে এ দোষ ঘটে। ইন্দ্রিয় প্রত্যক্ষণের ভ্রান্ত ব্যাখ্যাই হচ্ছে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। অর্থাৎ আমাদের ইন্ডিয়সমূহে যে সকল বিষয় বা ঘটনাবলি ধরা পড়ে, সেগুলোকে যথাযথভাবে না দেখে বিকৃতভাবে দেখার কারণেই ক্রান্ত নিরীক্ষণের উদ্ভব হয়। সুতরাং বলা যায় ইন্ডিয় প্রত্যক্ষণকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করার ফলে যে যুক্তিদোষ বা অনুপপত্তির সৃষ্টি হয়, তাকে বলা হয় ভ্রান্ত। অন্যদিকে যখন কোনো বিশেষ ব্যক্তি কোনো বস্তু বা ঘটনাকে যেভাবে দেখার কথা, সেভাবে না দেখে অন্যভাবে দেখেন, তখন তাকে বলা হয় ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। অর্থাৎ ব্যক্তিবিশেষের একার ভুল প্রত্যক্ষের জন্য যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ হয়, তাকে' ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ 'বলে। যেমন কোনো ব্যক্তি যখন সন্ধ্যার অল্প আলোতে দড়িকে সাপ বলে ভুল করে কিংবা অন্ধকারে বৈদ্যুতিক খামকে ভূত' বলে মনে করে, তখন তা হলো ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। উদ্দীপকে উল্লিখিত T ও D দুই বন্ধু। তারা একদিন অমাবস্যার ঘন অন্ধকার রাতে একটি অনুষ্ঠান শেষে বাসায় ফিরছিল। রাস্তায় হাঁটার সময় D এর পায়ে একটি নরম জিনিসের স্পর্শ লাগলে সে সাপ মনে করে লাফিয়ে ওঠে এবং তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসার জন্য T কে বলে। সুতরাং D এর এ ভ্রান্ত ধারণা ভুল প্রত্যক্ষের জন্য উদ্ভব হয়েছে বলে এটাকে ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ বলে আখ্যায়িত করা হয়।