1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের সাথে পাঠ্যপুস্তকের 'শিক্ষার' সাথে মিল রয়েছে। কারণ শিক্ষা হলো কোনো সমাজের সংস্কৃতির বাহক। শিক্ষা একটি সামাজিক ক্রিয়া। এর প্রকৃতি ও ধারণা বহু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আমাদের সুসম্পর্ক হয়ে উঠেছে। বহু শিক্ষাবিদ ও দার্শনিক আপন আপন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এর স্বরূপ উদঘাটন করতে চেয়েছেন। দার্শনিক প্লেটোর (Plato) মতে, শিক্ষা হলো সেই শক্তি যার দ্বারা সঠিক সময়ে আনন্দ ও বেদনানুভূতিবোেধ জন্মায়। এটি শিক্ষার্থীর দেহ ও মনের সকল সুন্দরকে এবং তার অন্তর্নিহিত পূর্ণতাকে বিকশিত করে। এরিস্টটল (Aristotle) বলেন, "সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হলো শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের মৌলিক শক্তি, বিশেষ করে তা মনকে এমনভাবে বিকশিত করে যাতে সে বিস্ময়কর ও শাশ্বত সত্য, শিব ও সুন্দরের আরাধনায় সমর্থ হয়।" শিক্ষাকে ব্যক্তিজীবনে পরশপাথর বলে বর্ণনা করা চলে, যার স্পর্শমাত্র ব্যক্তিজীবনে সার্থকতার পথে উপযুক্ত ভাবে এগিয়ে চলতে পারে। তাই আমরা শিক্ষাকে জীবনের মহামূল্য সম্পদ বলে বিবেচনা করি। বাতিঘর যেমন ঝড়ঝঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ উত্তাল সমুদ্র বিহারী জাহাজকে নিরাপত্তার আলো দেখায়, শিক্ষা তেমনি আমাদের সমগ্র জীবনে বিপদসংকুল মুহূর্তগুলোতে আমাদের সঠিক পথ চিনতে সাহায্য করে।