1 Answers
উদ্দীপকে পদের ব্যাপ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। পদের ব্যাপ্যতা বলতে পদের প্রসারতাকে বোঝায়। একটি পদ কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হওয়ার পর যে পরিমাণ ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে তার দ্বারা সে পদের ব্যাপ্যতা বা ব্যাপ্তি নির্ণয় করা হয়। একটি শর্তনিরপেক্ষ যুক্তিবাক্য উদ্দেশ্য ও বিধেয় নামে দুটি পদ নিয়ে গঠিত। কোনো কোনো যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে প্রকাশ করে, আবার কোনো কোনো যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে নির্দেশ করে। যুক্তিবিদদের মতে, কোনো পদ যখন তার সামগ্রিক ব্যক্ত্যর্থকে গ্রহণ করে কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে পদের ব্যাপ্যতা বা ব্যাপ্তি বলে। যেমন- 'সকল দার্শনিক হন জ্ঞানী'- এই যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদটি দার্শনিকের সামগ্রিক ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। এজন্য 'দার্শনিক পদ'টিকে ব্যাপ্য বা ব্যাপ্ত পদ বলে।
অন্যদিকে কোনো পদ যখন তার আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে গ্রহণ করে কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে 'অব্যাপ্য পদ' বলে। যেমন- 'কিছু দার্শনিক হন আবেগপ্রবণ'- এই যুক্তিবাক্যের 'উদ্দেশ্য পদটি' দার্শনিকের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। এজন্য এখানে এই পদটিকে 'অব্যাপ্য পদ' বা 'অব্যাপ্ত পদ' বলে।