1 Answers

উদ্দীপকে পাঠ্যপুস্তকের আবর্তন বিষয়টি নির্দেশ করছে। যে অমাধ্যম অনুমানে আশ্রয়বাক্যের গুণ অপরিবর্তিত রেখে উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে ন্যায়সঙ্গতভাবে স্থান পরিবর্তন করে যথাক্রমে সিদ্ধান্তের বিধেয় ও উদ্দেশ্যে পরিণত করে সিদ্ধান্তটি টানা হয়, তাকে 'আবর্তন' (Convension) বলে। তেমনি জনাব বরজু মিয়া ও জনাব গণি মিয়া দুজন কৃষক প্রতিবছর ধান চাষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের রবিশস্য ও সবজি চাষ করেন। এতে বোঝা যায়, আশ্রয়বাক্যের গুণ অর্থাৎ জমির গুণাগুণ ঠিক রেখে কেবল উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে ন্যায়সঙ্গতভাবে স্থান পরিবর্তন করে কাজ করে তারা লাভবান হন। তা ছাড়া শস্যের বীজ অনেক সময় নিজেরা সংরক্ষণ করেন অথবা বাজার থেকে সংগ্রহ করেন। এখানে আবর্তনের নিয়ম লক্ষণীয়। আবর্তনের নিয়ম চারটি। যথা-

১. উদ্দেশ্য: আবর্তনীয়ের উদ্দেশ্য আবর্তিতের বিধেয় হবে। 

২. বিধেয়: আবর্তনীয়ের বিধেয় আবর্তিতের উদ্দেশ্য হবে। 

৩. গুণ: আবর্তনীয়ের গুণ আবর্তিতেও অপরিবর্তিত থাকবে। 

৪. পরিমাণ: কোনো পদ আবর্তনীয়ে অব্যাপ্য থাকলে তাকে আবর্তিতে ব্যাপ্য পদরূপে গ্রহণ করা যাবে না। এ নিয়মটিকে বলা হয় 'ব্যাপ্যতার নিয়ম'।

এসব নিয়ম স্থির রেখে আবর্তনকে দু'শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। যথা- সরল আবর্তন ও অসরল আবর্তন। তবে সরল আবর্তনে আশ্রয়বাক্য সার্বিক হলে সিদ্ধান্ত সার্বিক হয় এবং আশ্রয়বাক্য বিশেষ হলে সিদ্ধান্ত বিশেষ হয়। অন্যদিকে অসরল আবর্তনে আশ্রয়বাক্য সার্বিক হলেও সিদ্ধান্ত বিশেষ হয়।

5 views

Related Questions