1 Answers

ফাহিমের বাবা-মা ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে ডাক্তার ফাহিমের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতা শনাক্ত করেন। এছাড়া ডাক্তার ফাহিমের বাবা-মাকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতার শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে ধারণা দেন।

যারা চোখে খুব সামান্য দেখে বা এক চোখে দেখতে পায় না বা দূরের জিনিস দেখতে অসুবিধা হয় তারা সকলেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। তবে সকল দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর প্রতিবন্ধিতার ধরন এক নয়। প্রতিবন্ধিতার মাত্রা অনুযায়ী বিশ্ব-স্বাস্থ্য সংস্থা দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতার শ্রেণিকরণ করেছে। শ্রেণিবিভাগটি নিম্নরূপ:

১. আংশিক বা মৃদু দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা চশমা বা লেন্স ব্যবহার করে স্বাভাবিক শিশুর মতো কাজকর্ম বা লেখাপড়া করতে পারে। 

২. মধ্যম মাত্রার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা সহায়ক উপকরণ ব্যবহার করে ধীরগতিতে কম সূক্ষ্ম দৃষ্টির কাজ করতে পারে। 

৩. গুরুতর মাত্রার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা দৃষ্টির প্রয়োজন হয় এমন কাজ করতে সমস্যায় পড়ে। এরা সূক্ষ্ম দৃষ্টির কাজ করতে পারে না। 

৪. প্রায় অন্ধ মাত্রার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা শুধু আলো দেখতে পায়। অর্থাৎ আলো-আঁধারের পার্থক্য বুঝতে পারে। 

৫. সম্পূর্ণ অন্ধ মাত্রার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা দৃষ্টিহীন। এদের কোনো রকম দৃষ্টি সংবেদন থাকে না।

পরিশেষে বলা যায় যে, মাত্রা অনুযায়ী দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতা বিভিন্ন শ্রেণির হতে পারে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রতিবন্ধীতার মাত্রা অনুযায়ী তাকে জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে হবে।

5 views

Related Questions