1 Answers

উদ্দীপকের ঘটনা-১ ও ঘটনা-২ প্রকল্পের পরোক্ষ সমর্থনের  সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। নিচে তা দেখানো হলো-

জগতে এমন অনেক ঘটনা আছে যেগুলোকে সরাসরি পরীক্ষণ বা নিরীক্ষণমূলক সমর্থনের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায় না; বরং এ জাতীয় ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পকে বাস্তব অবস্থা দ্বারা পরোক্ষভাবে যাচাই করে নিতে হয়; এটিই প্রকল্পের পরোক্ষ সমর্থন। মূলত অবরোহ পদ্ধতি ও সুসংগত ঘটনা সংকলন- এ দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি প্রকল্পকে পরোক্ষভাবে সমর্থনের মাধ্যমে প্রমাণ করা হয়। অবরোহ পদ্ধতি হচ্ছে সার্বিক কোনো বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত করে একটি বিশেষ বিষয়ের সত্যতা প্রতিপাদন করা। আর যখন কোনো প্রকল্পকে সরাসরি পরীক্ষা করা যায় না, তখন অবরোহ পদ্ধতি প্রয়োগে প্রকল্পটিকে তার চেয়ে ব্যাপক কোনো প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

অপরদিকে ঘটনা সংকলন হচ্ছে কতগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে একত্র করে একটি সার্বিক ধারণা গঠন করা। আর যখন কোনো প্রকল্পকে সরাসরি পরীক্ষা করা যায় না, তখন আলোচ্য প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ঘটনাকে একত্র করে গৃহীত প্রকল্পের সাথে মিলিয়ে দেখতে হয়। এ ক্ষেত্রে প্রকল্পটি বাস্তবের সঙ্গে পরোক্ষভাবে উপযোগিতার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ হলে এবং এর মধ্যে কোনো বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দৃষ্টান্ত না পাওয়া গেলে প্রকল্পটি সুসংগত ঘটনা সংকলন দ্বারা সমর্থিত হয়েছে বলা যায়।

উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ সীমা তাদের ঘরের দরজা ভেঙে চুরির জন্য প্রতিবেশীদের সন্দেহ করে এবং পরে ঘরের দরজায় আঙ্গুলের ছাপ পরীক্ষা করে প্রতিবেশী একজনকে শনাক্ত করে। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে পরোক্ষ সমর্থনের অবরোহ পদ্ধতির প্রয়োগ হয়েছে। অপরদিকে ঘটনা-২ এ সেবী কয়েকটি বাটির মধ্যে কোনটি স্টিলের তৈরি তা পরীক্ষার জন্য চুম্বক ব্যবহার করে পরীক্ষার মাধ্যমে একটি বাটি শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প প্রমাণের পরোক্ষ সমর্থনের সুসংগত ঘটনা সংকলন পদ্ধতির প্রয়োগ হয়েছে।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনা দুটিতে প্রকল্প প্রমাণের অন্যতম উপায় পরোক্ষ সমর্থনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

5 views

Related Questions