1 Answers
উদ্দীপকের দৃশ্য-১ ও দৃশ্য-২ প্রকল্পের প্রত্যক্ষ সমর্থন নামক প্রমাণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কোনো প্রকল্প সরাসরি নিরীক্ষণ বা পরীক্ষণের মাধ্যমে সমর্থিত হলে তাকে প্রত্যক্ষ সমর্থন বলা যায়। নিচে দুটি পদ্ধতির প্রয়োগ উল্লেখ করা হলো-
* নিরীক্ষণের মাধ্যমে সমর্থন : এমন অনেক প্রকল্প আছে, যেগুলোকে নিরীক্ষণ দ্বারা সরাসরি সমর্থনের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়; যেমন: ইউরেনাস গ্রহ তার চলার পথে নির্দিষ্ট স্থানে বেঁকে যায় দেখে বিজ্ঞানীরা প্রকল্প করেন, ঐ স্থানে অন্যকোনো গ্রহের অবস্থান আছে। পরবর্তীকালে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে নিরীক্ষণ করে ঘটনাটির সত্যতা পাওয়া গেল, অর্থাৎ দেখা গেল প্রকৃতই ওই স্থানে একটি গ্রহ আছে। এ গ্রহটিই হচ্ছে নেপচুন, আর এভাবেই আলোচ্য প্রকল্পটি নিরীক্ষণের মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে সমর্থিত হয়ে প্রমাণিত হয়।
* পরীক্ষণের মাধ্যমে সমর্থন : এমন অনেক প্রকল্প আছে, যেগুলোকে পরীক্ষণ দ্বারা সরাসরি সমর্থনের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়; যেমন : 'বায়ু হচ্ছে শব্দের কারণ।' এ প্রকল্পটি প্রমাণের ক্ষেত্রে পরীক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে দেখা যায় যে, বায়ুপূর্ণ পাত্রে ঘণ্টার শব্দ শোনা যায়, কিন্তু বায়ুশূন্য পাত্রে ঘণ্টার শব্দ শোনা যায় না। কাজেই এ থেকে প্রমাণিত হয় আলোচ্য প্রকল্পটি সত্য; আর প্রকল্পটি এভাবে প্রমাণিত হয়েছে মূলত পরীক্ষণ দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে সমর্থিত হওয়ার মাধ্যমে।
উদ্দীপকের দৃশ্য-১: এ প্রত্যক্ষ প্রমাণের নিরীক্ষণের মাধ্যমে সমর্থন পদ্ধতি অনুসরণ করে জারিফের প্রকল্পটি সত্য প্রমাণিত হয়। আর এ ক্ষেত্রে দুরবীন যন্ত্রের সাহায্যে নিরীক্ষণ করে প্রমাণিত হয়, মেঘ এসে পাহাড়ের চূড়ায় ধাক্কা লাগায় তা ঝরনা আকারে নিচে নেমে আসে। অপরদিকে দৃশ্য-২ এ প্রকল্প প্রমাণের অপর পদ্ধতি পরীক্ষণের মাধ্যমে সমর্থন পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রমাণিত হয়, যা গ্লাসের মধ্য দিয়ে বায়ু চলাচল করতে পারে না বলে গ্লাসের অন্য পাশের কথা শুনতে পাওয়া যায় না।