1 Answers

উদ্দীপকে জনাব নাজিমের বক্তব্য থেকে পরামর্শমূলক নির্দেশনা পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে যা অত্যন্ত যৌক্তিক।

অধস্তনদের সাথে পরামর্শের আলোকে যে নির্দেশনার বিষয়বস্তু নির্দিষ্ট ও প্রয়োগ করা হয় তাকে পরামর্শমূলক নির্দেশনা বলে।

উদ্দীপকে জনাব নাজিম পরামর্শমূলক নির্দেশনার কথা বলেছেন। তিনি মাস শেষে সুপারভাইজারদের নিয়ে সভা করেন। প্রত্যেকের এলাকার কাজ পর্যালোচনা এবং পরবর্তী মাসের বিক্রয় টার্গেট নির্ধারণ করেন এবং অধস্তনদেরকে নিয়ে পরামর্শ প্রদান করেন। ফলে অধস্তনদের সাথে সম্পর্ক বাড়ে এবং প্রতিষ্ঠানের সফলতা বয়ে আনছে। পরামর্শমূলক নির্দেশনা প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ব্যবস্থায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে অধস্তনদের মতামত গ্রহণ করা হয়। এতে শ্রমিক-কর্মিগণ নিজেদের মত প্রকাশের সুযোগ পায় এবং কাজের ভালোমন্দ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে। ফলে কার্যসম্পাদন প্রক্রিয়া সহজ হয়। কারণ এ ব্যবস্থায় নির্দেশ ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়- দায়িত্ব অধস্তন কর্মীদের ওপর বর্তায় এবং কার্য সম্পাদনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের চেতনা তাদের মধ্যে জাগ্রত থাকে।

পরিশেষে বলা যায়, পরামর্শমূলক নির্দেশনা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি, কর্মে উৎসাহ সৃষ্টি ও পারস্পরিক সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সাফল্য অর্জনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই নির্বাহীদের এ ব্যাপারে আন্তরিক হওয়া উচিত।

6 views

Related Questions