1 Answers
উদ্দীপকে জনগণকে সাথে নিয়ে যে বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে, দেশের স্বার্থ ও কল্যাণের জন্য সেই ব্যবস্থা অত্যন্ত যৌক্তিক। সরকারি-বেসরকারি যৌথ অর্থায়নে ও সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যৱসায় কার্যক্রমকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বভিত্তিক ব্যবসায় বলে। এটা Public Private Partnership (PPP) নামে পরিচিত।
উদ্দীপকে কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গঠন করার জন্য প্রচুর পরিমাণে অর্থের প্রয়োজন, যা সাধারণ শিল্পোদ্যোক্তাগণ অনেক ক্ষেত্রে এত বেশি পরিমাণে মূলধন বিনিয়োগ করতে পারে না। তাই এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য সরকারকে আগ্রহী হতে হয়। উল্লেখ্য যে, দেশে গভীর সমুদ্রবন্দর করতে হবে, পদ্মা সেতু করতে হবে। এজন্য সরকার অন্যদের নিকট ধরনা দিচ্ছে। অথচ সরকার জনগণকে সাথে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে পারে। সরকার যদি বিদেশি সংস্থার নিকট থেকে সাহায্য নেয় তাহলে এসব খাত থেকে আয়ের একটি বিরাট অংশ তাদেরকে দিয়ে দিতে হবে। পক্ষান্তরে, যদি জনগণের নিকট থেকে অর্থ নিয়ে এসব বাস্তবায়ন করে তাহলে বিদেশি সংস্থাকে লাভ দিতে হবে না। ফলে দেশের স্বার্থ রক্ষা হবে এবং দেশের অর্থ দেশেই থাকবে। এক্ষেত্রে সরকারকেই সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে এবং জনগণকে বিনিয়োগে আগ্রহী করে তুলতে হবে।
পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকে জনগণকে সাথে নিয়ে যে বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে, দেশের স্বার্থ ও কল্যাণের জন্য সেই ব্যবস্থা অত্যন্ত যৌক্তিক।