1 Answers

জনাব আবেদকে ভালো করতে হলে নেতৃত্বদানের বর্তমান কৌশল থেকে সরে আসতে হবে- এ বক্তব্য যথার্থ।

যে নেতৃত্ব ব্যবস্থায় নেতা গণতান্ত্রিক মানসিকতাসম্পন্ন হয় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অধস্তনদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করে, তাকে গণতান্ত্রিক বা অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব বলে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব আবেদ যদি তার অধস্তন কর্মীদের সহায়তা ও অংশগ্রহণে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তবে তার প্রতিষ্ঠানে কাজ বাধাগ্রস্ত হবে না বলে আমি মনে করি। কারণ এতে নিচের দিকের কর্মীদের সাথে তার যোগাযোগ বাড়বে এবং উভয়ের মনোভাবই উভয়পক্ষ সহজেই বুঝতে পারবে।

জনাব আবেদকে চিন্তা-চেতনার দিক দিয়ে গণতান্ত্রিক মানসিকতার অধিকারী হতে হবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণে অধীনস্থদের সম্পৃক্ত করতে হবে। তার নির্দেশনা যেন সবাই বুঝতে পারে সে জন্য তাকে তার অধীনস্থদের আরও ভালোভাবে কাজের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। যদি তিনি তার কর্মীদের ভালোভাবে বুঝতে পারেন তাহলে তার কর্মীরাও তাকে বুঝতে পারবে।

গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেতা একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারী হলেও তা করেন না। এক্ষেত্রে নেতা অধস্তনদের সামনে এগিয়ে নিতে আগ্রহী থাকে এবং কর্মীদের মাঝে উৎসাহ সৃষ্টি করে কাজ আদায়ে সচেষ্ট হয়। এরূপ নেতৃত্বে নেতা অধস্তনদের সুখ-দুঃখের অনুভূতি ও চিন্তা- চেতনাসম্পন্ন একটি সত্তা হিসেবে গণ্য করে। তাই জনাব আবেদকে ভালো করতে হলে নেতৃত্বদানের বর্তমান কৌশল থেকে সরে আসতে হবে এবং গণতান্ত্রিক কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, জনাব আবেদকে ভালো করতে হলে নেতৃত্বদানের বর্তমান কৌশল থেকে সরে আসতে হবে- এ বক্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions