1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত ২য় ব্যক্তি হলেন যুক্তিবিদ স্টাউট। তিনি প্রতীকের যে তিনটি প্রকারভেদ উল্লেখ করেছেন সেগুলোর মাধ্যমে প্রতীকের প্রকৃতি যথার্থভাবে ফুটে উঠেছে। যুক্তিবিদ্যার যে শাখাটি প্রতীক প্রবর্তনের মাধ্যমে অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তির পার্থক্য নির্ণয় করে থাকে তাকে বলে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা। যুক্তিবিদ স্টাউটের মতে, প্রতীক তিন ধরনের হতে পারে।

i. প্রকাশধর্মী প্রতীক (Expressive Symbol) : যে প্রতীক দ্বারা প্রকাশিত কোনো বিষয়ের প্রতি আমাদের আকৃষ্ট করে তাকে 'প্রকাশধর্মী প্রতীক' বলে। 'আম' শব্দটা উচ্চারিত হলে আমরা এর ধ্বনির প্রতি আকৃষ্ট হই না বরং শব্দটা যে বিষয়টাকে প্রকাশ করে তার প্রতি মনোযোগ দেই। তেমনি কোথাও 'আম' শব্দটা লেখা দেখলে শব্দটার লিখিত রূপের প্রতি লক্ষ না করে শব্দটা যে বিষয়কে প্রকাশ করে তার প্রতি নজর দিই।

ii. নির্দেশমূলক বা ইঙ্গিতপূর্ণ প্রতীক (Suggestion Symbol) : এ ধরনের প্রতীক আমাদের মনে একটা ধারণাকে স্মরণ করায় এবং প্রতীকটার কারণে আমরা এ ধারণাটার দিকে মনোযোগ দেই। যেমন- দাবা, ঘোড়ার বিভিন্ন চালের প্রতি ইঙ্গিত করে। আমরা আকৃতিটার দিকে নজর না দিয়ে সেই চালগুলোর দিকে মনোযোগ দেই যেগুলো একটি অর্থের প্রতি ইঙ্গিত করে।

iii. পরিবর্ত প্রতীক (Substitute Symbol): যে ধরনের প্রতীক কোনো কিছুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় তাকে বলে পরিবর্ত প্রতীক। এ প্রতীক একান্ত প্রতিনিধিত্বমূলক। যেমন- যুক্তিবিদ্যায় আমরা ইংরেজি বর্ণ p, q, r ইত্যাদি বাক্যের পরিবর্তে P. S. M পদে ব্যবহার করি। 

 

4 views

Related Questions