1 Answers
যুক্তিবিদ্যার যুক্তি এবং আকারিক দিককে যখন প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তার নাম প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার পূর্বের ভার্সনকে 'সাবেকি যুক্তিবিদ্যা' বলে। একে এরিস্টটলীয়, সনাতনী বা গতানুগতিক যুক্তিবিদ্যাও বলা হয়। উদ্দীপক অনুযায়ী আমরা বলতে পারি যে, প্রতীকের ধারণা সর্বপ্রথম এরিস্টটল প্রচলন করলেও তা ছিল সীমিত পরিসরে। আধুনিক যুগে এর ব্যাপক পরিসর লক্ষণীয়।
এরিস্টটল যে প্রতীকের কথা বলেছেন তা হলো পরিবর্ত প্রতীক। প্রধান পদ, অপ্রধান পদ ও মধ্যপদকে নির্দেশ করার জন্য তিনি p. s. m কে প্রতীক হিসাবে ব্যবহার করেছেন। যেমন-
সব m হয় p (সব প্রাণী হয় মরণশীল)
সব s হয় m (সব মানুষ হয় প্রাণী)
সব s হয় p (সব মানুষ হয় মরণশীল)
কিন্তু আধুনিক যুগে এর ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ করা যায়। যেমন- বিন্দু, নাল, ফলা ইত্যাদি। এগুলো একেকটি বিষয়ের প্রতীক।
বিন্দু (.) আমরা 'এবং', 'ও', 'আর' যোজক-এর পরিবর্তে ব্যবহার করি। যেমন- বিশখ একজন ডাক্তার (p) এবং শিঞ্জন একজন ইঞ্জিনিয়ার (q)। একে প্রতীকায়িত করলে আমরা পাবো p. q নাল (১) চিহ্নকে আমরা যদি..তবে.... এর পরিবর্তে ব্যবহার করি। যেমন যদি তুমি আসো, তবে আমি যাবো। একে প্রতীকায়িত করলে পাওয়া যাবে-
ফলা (v)- কে আমরা 'অথবা' এর পরিবর্তে ব্যবহার করি। সে বুদ্ধিমান অথবা সৎ P v q
ঢেউ (~) দ্বারা নঞর্থক বা 'না' বোঝায়। যেমন সে সৎ নয়। ~p.
ত্রিরেখা (=) দ্বারা সমান বোঝায়। যদি এবং কেবল যদি দ্বারা একাধিক বাক্যযুক্ত হলে তা সমমানিক (=) চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যেমন বাংলাদেশ উন্নত হবে, যদি এবং কেবল যদি দেশের মানুষ সৎ হয়। p = q.