1 Answers
সংযৌগিক বচনে দুই বা ততোধিক উপাদান বাক্য সংযোজিত হয়। যেমন- রাসেল হন দার্শনিক এবং যুক্তিবিদ। এখানে দুটি উপাদান বাক্য রয়েছে।
i. রাসেল হন দার্শনিক এবং
ii. রাসেল হন যুক্তিবিদ।
এখন প্রথম উপাদান বাক্য 'রাসেল হন দার্শনিক'-এর জন্য p প্রতীক এবং দ্বিতীয় উপাদান বাক্য 'রাসেল হন যুক্তিবিদ'-এর জন্য ৭ প্রতীক এবং এদের যোজক 'এবং' এর পরিবর্তে (•) বিন্দু প্রতীক ব্যবহার করে সম্পূর্ণ বাক্যটাকে নিম্নরূপে প্রকাশ করা যায় :
p.q
এখানে দুটি উপাদান বচনের জন্য দুটি গ্রাহক প্রতীক (p ও ৭) ব্যবহার করা হয়েছে। তাই, সত্যসারণির নিয়ম অনুযায়ী সমগ্র বাক্যটার সত্যমূল্য নির্ণয় করতে হবে চার ধরনের মানের ভিত্তিতে। চার ধরনের সত্যমূল্য হলো :
১। p সত্য ও ৭ সত্য হলে p.q সত্য;
২।p সত্য ও ৭ মিথ্যা হলে p.q মিথ্যা;
৩। p মিথ্যা ও ৭ সত্য হলে p.q মিথ্যা;
৪। p মিথ্যা ও ৭ মিথ্যা হলে p.q মিথ্যা;
সত্যসারণি : সংযৌগিক অপেক্ষক
স্তম্ভ | ১ম স্তম্ভ | ২য় স্তম্ভ | চূড়ান্ত স্তম্ভ |
সারি | P | q |
|
১ম সারি | T | T | T |
২য় সারি | T | F | F |
৩য় সারি | F | T | T |
৪র্থ সারি | F | F | F |
এখানে p ও q হলো উপাদান বাক্য। T ও F হলো যথাক্রমে সত্য এবং মিথ্যার প্রতীক। p ও q এর মধ্যবর্তী '.' বিন্দু হলো যোজকের প্রতীক। এখানে উপাদান বাক্য দুটি হওয়ায় সারির সংখ্যা হলো ৪টা (২১ = ২ × ২ = ৪)। অপেক্ষকের মধ্যে দুটি উপাদান বর্ণ থাকায় সারণি স্তম্ভ হয়েছে তিনটি। স্তম্ভগুলোর ১ম টিকে বলা হয় প্রাথমিক স্তম্ভ এবং শেষ স্তম্ভটিকে বলা হয় চূড়ান্ত সতম্ভ।
এখানে চূড়ান্ত স্তম্ভের মান নির্ণয় করা হয়েছে p . q এর চার ধরনের মানের ভিত্তিতে। লক্ষণীয় যে, যখন p ও q সত্য হয়েছে শুধু তখনই p.q সত্য হয়েছে। অবশিষ্ট সব ক্ষেত্রেই p.q মিথ্যা হয়েছে। এর দ্বারা বোঝা যায় যে, সংযৌগিক বচনের সব উপাদান বাক্য সত্য হলে সমগ্র বাক্য সত্য হবে। কিন্তু কোনো একটা উপাদান বাক্য মিথ্যা হলে সম্পূর্ণ বাক্য মিথ্যা হবে।