1 Answers
হাঁ, আমি মনে করি সাগর যেভাবে দাবি করে নিষেধক বচনকে সত্যসারণির মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়- তেমনিভাবে অন্যান্য যেকোনো বচনকেই সত্যসারণির মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব। সত্যসারণি বলতে সাধারণত ছক বা তালিকা বোঝায়। অর্থাৎ যে সারণির সাহায্যে কোনো যৌগিক যোজকের অর্থ ও তাৎপর্য, যৌগিক বাক্যের সত্যমান ও যুক্তির বৈধতা বা অবৈধতা যাচাই করা হয়, তাকে সত্যসারণি বলে। সত্যসারণির গঠনপ্রণালি বিশ্লেষণে পাওয়া যায়- কোনো যৌগিক বাক্যের সত্যসারণি গঠন করতে হলে প্রথমেই যৌগিক বাক্য বা অপেক্ষকে কয়টি উপাদান আছে তা নির্ণয় করতে হবে। কারণ উপাদান বাক্য বা অঙ্গবাক্যের সংখ্যার উপর ভিত্তি করেই সত্যসারণির সারি সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। উপাদান বাক্যের সংখ্যা ঠিক করার পর তাদেরকে সারণির বাঁ দিক থেকে একটু ফাঁক দিয়ে পর পর লিখতে হবে এবং সারণির ডানদিকে মূল অপেক্ষককে বসাতে হবে। এটিই হবে চূড়ান্ত স্তম্ভ (Final Column)। আর উপাদান বাক্য নিয়ে গঠিত স্তম্ভগুলোকে বলা হয় প্রারম্ভিক স্তম্ভ (Initial column)। উপাদান বাক্য ও মূল অপেক্ষককে যথাক্রমে বাম ও ডানদিকে বসানোর পর তাদের নিচে একটি অনুভূমিক রেখা টানতে হবে। আবার স্তগুলোকে আলাদা করে দেখাবার জন্য প্রত্যেকটি উপাদান বাক্যের পরে একটি করে উল্লম্ব রেখা টানতে হবে। এ উল্লম্ব লাইনগুলোকে 'স্তম্ভ' এবং অনুভূমিক লাইনগুলোকে 'সারি' বলা হয়। এবার উপাদান বাক্যের সংখ্যার ভিত্তিতে সারিসংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। সারিসংখ্যা নির্ধারণের সূত্র হবে 2n। এবার সারির সংখ্যার ভিত্তিতে উপাদান বাক্যের নিচে সত্যমান লিখতে হবে।