1 Answers

বিধেয়কের যে পাঁচটি প্রকারের কথা পরফিরি বলেছেন তার মধ্যে জাতি এবং উপজাতি অন্যতম দুটি বিধেয়ক।

জাতি হলো- দুটি শ্রেণিবাচক পদ যদি এমনভাবে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, ব্যক্ত্যর্থের দিক থেকে একটি পদ বড় এবং আরেকটি পদ ছোট বা ক্ষুদ্রতর। আর বৃহত্তর পদটি ক্ষুদ্রতর পদটিকে অন্তর্ভুক্ত করে সেক্ষেত্রে বড় পদটিকে ছোট পদটির জাতি বলে।

আবার দুটি শ্রেণিবাচক পদ যদি এমনভাবে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, ব্যক্ত্যর্থের দিক থেকে একটি পদ ছোট বা ক্ষুদ্রতর এবং অনটি বড় বা বৃহত্তর এবং ক্ষদ্রতর পদটি বৃহত্তর পদের অন্তর্ভুক্ত সেক্ষেত্রে ক্ষুদ্রতর পদটিকে বৃহত্তর পদের 'উপজাতি' বলে। উদ্দীপক অনুযায়ী আমরা বলতে পারি যে, জাতি এবং উপজাতি দুটি শব্দই যুক্তিবিদ্যায় জাতিবাচক। শব্দ দুটি কোনো ব্যক্তিকে নয় বরং জাতিকে বোঝায়। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য হলো একটি ক্ষদ্রতর এবং অন্যটি বৃহত্তর। উপজাতি ক্ষুদ্রতর এবং জাতি হলো বৃহত্তর। উপজাতি জাতির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং জাতি উপজাতিকে নিজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে রাখে। একটি অন্যটির উপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ কোনো জাতির অন্তর্গত উপজাতিগুলো বাদ দিলে জাতি পাওয়া যায় না। আর কোনো উপজাতি যে জাতির অন্তর্গত সেই জাতির কথা বাদ দিলে উপজাতিকে আর উপজাতি বলতে পারি না।

সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, জাতি এবং উপজাতি বিধেয়কের দুটি রূপ এবং একটি ছাড়া অন্যটি থাকতে পারে না।

5 views

Related Questions