1 Answers
বিধেয়কের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয় হলো জাতি এবং উপজাতি। ব্যক্ত্যর্থের বিবেচনায় বৃহৎ হলো জাতি এবং তুলনামূলক ক্ষুদ্র হলো উপজাতি। এদের মধ্যে যে সাপেক্ষ সম্পর্ক রয়েছে তা অন্য কতকগুলো বিষয়ের আলোচনার মাধ্যমে আরও ব্যাখ্যা করা যাবে। যেমন- যে শ্রেণির ব্যক্ত্যর্থ সবচেয়ে বেশি এবং যে শ্রেণিকে সর্বাধিক ব্যক্ত্যর্থের কারণে অন্য কোনো শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা যায় না, তাকে পরতম বা বৃহত্তম জাতি বলা হয়। পরতম জাতি কখনো উপজাতিতে পরিণত হয় না। যেমন- দ্রব্য, চেতন ও অচেতন সব কিছুই বোঝায়। যে ক্ষুদ্রতম উপজাতির চেয়ে আর কোনো ক্ষুদ্র উপজাতি হয় না তাকে ক্ষুদ্রতম উপজাতি বলে। ক্ষুদ্রতম উপজাতি কখনো জাতিতে পরিণত হয় না। ক্ষুদ্রতম উপজাতির চেয়ে ক্ষুদ্র হয় শুধু ব্যক্তি, কোনো শ্রেণি নয়। বৃহত্তম জাতি ও ক্ষুদ্রতম উপজাতির মধ্যবর্তী শ্রেণিগুলোকে মধ্যবর্তী জাতি বা অবর জাতি বলে। বৃহত্তম জাতি ও ক্ষুদ্রতম উপজাতির মধ্যবর্তী শ্রেণুিলোকে জাতির বিবেচনায় মধ্যবর্তী উপজাতি বলে। একই জাতির অন্তর্গত উপজাতিগুলোকে পারস্পরিক সম্বন্ধের দিক থেকে সমজাতীয় উপজাতি বলে। কোনো উপজাতির সবচেয়ে নিকটবর্তী জাতিকে আসন্নতম জাতি বলে। কোনো জাতির সবচেয়ে নিকটবর্তী উপজাতিকে আসন্নতম উপজাতি বলে।